অধিনায়ক শান্তর চাওয়া, নতুনদের নিয়ে বহুদূর যাওয়া
97 Repoter: 97admin
Publish: messages.not_available Update: 1 second ago-
1
I Tried to Play According to the Merit of the Ball- Miraz
-
2
Pakistan Level the Series with Victory Over West Indies
-
3
New Approach for Aussie Pacer Ahead of Bangladesh Test Series
-
4
New Era for Joe Roots England Against Pakistan, Jordan Cox to Bat at No. 3
-
5
Mirazs Brilliant Century Lifts Bangladesh to 263 on Day One in Darwin
অধিনায়ক শান্তর চাওয়া, নতুনদের নিয়ে বহুদূর যাওয়া
অধিনায়ক শান্তর চাওয়া, নতুনদের নিয়ে বহুদূর যাওয়া
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত অভিষেকেই ইতিহাস লিখলেন। বাংলাদেশ দলও ছুঁয়েছে সাদা পোশাকের রঙিন ইতিহাস। সিলেটের অনিন্দ্য সুন্দর স্টেডিয়ামে কিউইদের বিপক্ষে ১৫০ রানের বড় জয় তুলে নেওয়ার ছবি আঁকল শান্তর দল। তবে ঢাকা টেস্ট জেতা হল না শান্তদের। তবুও শান্ত পেয়েছেন তৃপ্তি, নতুন ক্রিকেটারদের নিয়ে এগিয়ে যেতে চান। টেস্ট দলটাকে আরও ভালোভাবে তৈরি করতে চান।
সাকিবের অনুপস্থিতিতে টেস্ট দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়েই বাজিমাত করলেন শান্ত। তার অধীনেই হোমে বাংলাদেশ পেল কিউইদের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট জয়। এর আগে বিশ্বকাপ ও নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজেও অধিনায়ক হয়েছিলেন তিনি। তাই অধিনায়কত্ব নতুন কিছু নয় এই বা-হাতি ব্যাটারের কাছে। অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়া নাজমুল হোসেন শান্ত নিজের ব্যাটিং সামর্থ্য দেখিয়েছেন একদিক দিয়ে, আর অন্যদিকে নেতৃত্বের জায়গাতেও ছিলেন অতুলনীয়। ব্যাটিং আর অধিনায়কত্ব যেভাবে দেখেন শান্ত,'আমি যখন ব্যাটিং করি, তখন আমার মনে হয় না আমি ক্যাপ্টেন। সত্যি কথা, আমার একটা বারের জন্যও মনে হয় না যে কয়টা ম্যাচ অধিনায়কত্ব করেছি এখন পর্যন্ত। এভাবে করে যেতে পারলে খুবই ভালো। আমার কাজ ব্যাটিংয়ের পরে যখন মাঠে ঢুকি, তখন মাঠের বাইরে আমার কী প্ল্যান, তখন সেগুলো করার চেষ্টা করি। কিন্তু ব্যাটিংয়ে আমার এখন পর্যন্ত মনে হয় না যে আমি অধিনায়ক, আমাকে আলাদা কোনো কিছু করতে হবে।'টেস্টের শক্তিমত্তা ও অভিজ্ঞতার বিচারে বাংলাদেশের থেকে ঢের এগিয়ে নিউজিল্যান্ড। তাদের সাথেই ১-১ সমতায় বাংলাদেশ শেষ করল সিরিজ। শেষ হওয়া এই টেস্ট সিরিজের বাংলাদেশ দলে ছিলেন ‘৩’ আনক্যাপড ক্রিকেটার। তবে অভিষেক হয়েছে কেবল শাহাদাত হোসেন দিপুর। এই নতুন স্কোয়াড নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে চান অধিনায়ক শান্ত,
'এই খেলোয়াড়দের ক্যারি করার বিষয়টা সিলেক্টরদের। এখানে যে খেলোয়াড়রা ছিল, অ্যাপ্রোচ খুবই ভালো, সবার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ খুব ভালো ছিল। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ, সবাই জিততে চাইসে দুইটা ম্যাচেই। তো এদিক থেকে ভাবলে খুবই খুশি যে ওরা সবাই মিলে একসাথে দল হিসেবে আমরা খেলতে চেয়েছি তো ভবিষ্যতে যদি আমরা এই দলটা নিয়ে এগোতে পারি তাহলে আশা করছি যে টেস্ট দলটা আরও ভালো জায়গায় যাবে।''আর ওয়ানডে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট যেটা বললেন, ওখানে আমাদের অবশ্যই গোল থাকবে যে আমরা ওখানে কীভাবে ম্যাচ জিততে পারব। সিরিজ জিততে পারি।ওরকমই টার্গেট হওয়া উচিত। বছরটা যদি আমরা ভালোভাবে শেষ করতে পারি তাহলে সামনের বছরের জন্য ভালো হবে।'
