পাকিস্তানকে হারিয়ে লেজেন্ডদের চ্যাম্পিয়ন ভারত
-
1
পাকিস্তানের ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তে উদ্বেগ আইসিসির
-
2
অপরাজিত যাত্রার শেষটাও জয়ে, নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে বাছাইপর্ব সেরা বাংলাদেশ নারী দল
-
3
পাকিস্তানের ভারতবিরোধী বিশ্বকাপ বয়কট, সাবেক ক্রিকেটারদের উত্তেজনা ও উদ্বেগ
-
4
লাহোরে অস্ট্রেলিয়াকে ১১১ রানে উড়িয়ে দিয়ে হোয়াইটওয়াশ পাকিস্তানের
-
5
১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে না পাকিস্তান
পাকিস্তানকে হারিয়ে লেজেন্ডদের চ্যাম্পিয়ন ভারত
পাকিস্তানকে হারিয়ে লেজেন্ডদের চ্যাম্পিয়ন ভারত
ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডের ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান করে পাকিস্তান। জবাবে ৫ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌছে যায় ভারত। পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা উল্লাসে মাতে যুবরাজ সিংরা।
বার্মিংহামে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। পাকিস্তানের হয়ে ওপেন করতে নেমেছিলেন শারজিল খান এবং কামরান আকমল। দলীয় ১৪ রানে ব্যাক্তিগত ১২ রানে শারজিল খানের আউটে ভাঙে ওপেনিং জুটি। ২১ রান করে বিনয় কুমারের বলে আউট হন তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা মাকসুদ। ফলে প্রথম পাঁচ ওভারের মধ্যেই পাকিস্তান ২ উইকেট হারিয়ে বসে থাকে।
২৪ রান করে দ্রুত সাজঘরে ফিরে যান কামরাম আকমল ও। তারপর দলের হাল ধরেন শোয়েব মালিক। তার ব্যাট থেকে আসে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ রান। ৩৬ বলে ৪১ রান করেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল তিনটি ছক্কা।এরপর ইউনিস খান ৭, মিসবা উল হক ১৮, ইয়ামিন ৭ রান করে আউট হলেন। তানভির ১৯ এবং আফ্রিদি ৭ রানে অপরাজিত থাকেন।
ভারতের হয়ে অনুরীত সিং তিনটি, বিনয় কুমার , নেগি, ইরফান পাঠান ১টি করে উইকেট নেন।
১৫৭ রানের লক্ষ্য ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই রবিন উথাপ্পা ও সুরেশ রায়নার ২ উইকেট হারিয়ে ফেলে বড় ধাক্কা খায় ভারত। রবিন উথাপ্পা করেন ১০ এবং সুরেশ রায়না করেন ৪ রান। ওপেনিংয়ে নেমে আম্বাতি রায়াডু ৩০ বলে ৫০ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিলো ৫টি চার এবং ২টি ছক্কা । গুরকীরত সিং ৩৩ বলে ৩৪ রান।
শেষ দিকে ইউসুফ পাঠান এবং অধিনায়ক যুবরাজ সিং এর ব্যাটে জয়ের বন্দরে পৌছে যেতে থাকে ভারত। ইউসুফ পাঠান ১৬ বলে ৩০ রান করে আউট হন। যুবরাজ সিং ১৫ এবং ইরফান পাঠান ৫ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ম্যাচ জিতে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত চ্যাম্পিয়ন্স।
পাকিস্তানের হয়ে ২ টি উইকেট নেন আমির ইয়ামিন। শহীদ আজমল,ওয়াহাব রিয়াজ ও শোয়েব মালিক নেন ১ টি করে উইকেট।
