ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে শিরোপা জিতল আফগানিস্তান
-
1
ইংল্যান্ডের ৪২৯ রান টপকে শ্রীলঙ্কার অবিশ্বাস্য জয়
-
2
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের বাংলাদেশ দল ঘোষণা, ফিরলেন লিটন-তাসকিন
-
3
ইনজুরিতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি থেকে ছিটকে গেলেন ইশান কিষান
-
4
বিনা মূল্যে টেস্ট ম্যাচ দেখার সুযোগ দিচ্ছে বিসিবি, মিরপুরের নির্দিষ্ট গ্যালারিতে প্রবেশ ফ্রি
-
5
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের প্রধান কোচ হলেন কাইরন পোলার্ড
ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে শিরোপা জিতল আফগানিস্তান
ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে শিরোপা জিতল আফগানিস্তান
শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে আফগানিস্তান। গোটা টুর্নামেন্ট জুড়েই একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখে অনায়াসেই এই ট্রফি নিজেদের করে নিল আফগানরা।
শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই শিরোপানির্ধারণী ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তানের আঁটসাঁট বোলিং ও তীক্ষ্ণ ফিল্ডিংয়ের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপ। মাত্র ১৬৯ রানে অলআউট হয়ে যায় সিকান্দার রাজাদের দল, যা জয়ের জন্য মোটেও পর্যাপ্ত ছিল না।
১৭০ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগান ব্যাটাররা অত্যন্ত সাবলীল সূচনা উপহার দেন। দলের জয় ত্বরান্বিত করতে ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান দায়িত্বশীল ব্যাটিং প্রদর্শন করে টুর্নামেন্টে নিজের দ্বিতীয় অর্ধশতকটি তুলে নেন।
দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক রহমত শাহের সঙ্গে ইব্রাহিমের গড়ে ওঠা ৮২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে ম্যাচ একপেশে হয়ে যায়। জয় যখন একদম হাতের মুঠোয়, ঠিক তখনই রহমত শাহ বিদায় নিলেও আফগানদের জয়ে তা কোনো বাধা তৈরি করতে পারেনি।
অবশেষে ৩৫তম ওভারে হাসমতউল্লাহ শহীদির একটি নান্দনিক বাউন্ডারিতে ভর করে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আফগানিস্তান। ম্যাচ শেষ হওয়ার মুহূর্তে ইব্রাহিম জাদরান ৭০ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন, আর দলটি জয় পায় ওভারের হিসেবে বিপুল ব্যবধানে।
এর আগে ফাইনালে ওঠার সমীকরণে বাংলাদেশকেও একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। টাইগারদের ১৬০ রানে থামিয়ে দিয়ে মাত্র ৩৫.৩ ওভারেই ৭ উইকেটের বড় জয় তুলে নিয়েছিল আফগানরা, আর আজ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেই একই পথ ধরে জয় নিশ্চিত করতে তাদের লেগেছে ৩৪.৩ ওভার।
এমনকি লিগ পর্বের দ্বিতীয় খেলায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৯৪ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ গড়ে প্রতিপক্ষকে মাত্র ১৩৬ রানে গুটিয়ে দিয়েছিল রশিদ-নবিরা। ফলে গোটা সিরিজ জুড়েই আফগানিস্তানের শক্তিমত্তার কাছে কার্যত দিশেহারা ছিল টুর্নামেন্টের বাকি দুই দল।
