বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ ছিটকে যাওয়ায় প্রতিবাদ, ন্যায়বিচারের দাবি আফ্রিদির
৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম
প্রকাশ: 5 দিন আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে-
1
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে ২২ রানে হারাল পাকিস্তান
-
2
বিশ্বকাপের আম্পায়ার তালিকায় বাংলাদেশ থেকে আছেন যারা
-
3
মুহাম্মদ ওয়াসীমের নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত
-
4
বিসিবি সভাপতির বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি ভিত্তিহীন, অপপ্রচারে আইনি পথে বোর্ড
-
5
বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের জয়
বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ ছিটকে যাওয়ায় প্রতিবাদ, ন্যায়বিচারের দাবি আফ্রিদির
বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ ছিটকে যাওয়ায় প্রতিবাদ, ন্যায়বিচারের দাবি আফ্রিদির
বিশ্বকাপের মঞ্চে যেখানে ক্রিকেটের গল্প লেখা হয়, সেখানে এবার লেখা হলো এক অস্বস্তিকর অধ্যায়। চরম নাটকীয়তা, অনিশ্চয়তা আর টানাপোড়েনের পর শেষ পর্যন্ত টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়াল বাংলাদেশ। তাদের জায়গায় গ্রুপ পর্বে আমন্ত্রণ পেয়েছে স্কটল্যান্ড যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একেবারেই বিরল এক ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনার পরই ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ। এরপর একের পর এক বৈঠক, আলোচনা ও চিঠি চালাচালির মধ্য দিয়েও কোনো সমাধান আসেনি। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এর ফলে বাংলাদেশের পরিবর্তে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয় স্কটল্যান্ড।
এই সিদ্ধান্ত ক্রিকেট বিশ্বে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটাররাও বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলছেন। সাবেক বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তান অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি প্রকাশ্যে বাংলাদেশের প্রতি ন্যায়বিচারের দাবি তুলেছেন।
নিজের ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে শহিদ আফ্রিদি লেখেন,
‘একজন সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে, যে বাংলাদেশে এবং আইসিসির বিভিন্ন ইভেন্টে খেলেছে, আমি আজ আইসিসির এই ধারাবাহিকতাহীন সিদ্ধান্তে গভীরভাবে হতাশ। ২০২৫ সালে পাকিস্তানে না যাওয়ার বিষয়ে ভারতের নিরাপত্তার অজুহাত আইসিসি মেনে নিয়েছে, অথচ বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একই বিষয় বোঝার ব্যাপারে তারা নারাজ বলে মনে হচ্ছে।’
আইসিসির সিদ্ধান্তের নৈতিক দিক তুলে ধরে আফ্রিদি আরও কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন। নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন,
‘ধারাবাহিকতা এবং ন্যায্যতা হলো বিশ্ব ক্রিকেটের শাসনের ভিত্তি। বাংলাদেশের খেলোয়াড় এবং তাদের কোটি কোটি ভক্ত সম্মান পাওয়ার দাবি রাখে, দ্বিমুখী নীতি নয়। আইসিসির উচিত সেতুবন্ধন তৈরি করা, তা ভেঙে ফেলা নয়।’
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানো শুধু একটি দলের অংশগ্রহণ বাতিলের ঘটনা নয়, বরং এটি আইসিসির সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং নীতিগত অবস্থান নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলেছে। ক্রিকেটীয় শক্তি, দর্শকভিত্তি এবং দীর্ঘদিনের ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের এই পরিণতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
