পরিবার মাঠে ছিল বলে শরিফুলের আনন্দ বাঁধনহারা
97 Repoter: 97admin
Publish: messages.not_available Update: 1 second ago-
1
Zaheer Khan Appointed CSKs New Head Coach, Replacing Stephen Fleming
-
2
Jack Edwards Called Up for South Africa ODIs, Stanlake Ruled Out
-
3
Saifuddin Ruled Out of Asian Games
-
4
Babar Struggling to Perform Under Captaincy Pressure, Says Waqar Younis
-
5
Pakistan Women Claim Bronze, Bangladesh Return Home Disappointed
পরিবার মাঠে ছিল বলে শরিফুলের আনন্দ বাঁধনহারা
পরিবার মাঠে ছিল বলে শরিফুলের আনন্দ বাঁধনহারা
পরিবার প্রথমবার মাঠে আসার দিনে জীবনের প্রথম হ্যাটট্রিক, শরিফুল ইসলামের আনন্দ তাই বাঁধনহারা। প্রেস কনফারেন্সে হাস্যোজ্জ্বল শরিফুল জানালেন, তার আনন্দ আজ দ্বিগুণ। খুশদিলের কাছে টানা দুই ছক্কা হজম করার শরিফুল নিজের ছন্দে ফেরেন তাসকিন-মোসাদ্দেকের পরামর্শে। ডট বলের চেষ্টায় এদিন পেয়ে যান হ্যাটট্রিকের দেখা।
বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে ৫ উইকেটের জয় পেয়েছে দুর্দান্ত ঢাকা। আর এই জয়ের পেছনে বল হাতে বড় অবদান রেখেছেন পেসার শরিফুল ইসলাম। শেষ ওভারে টানা ৩ উইকেটের হ্যাটট্রিকে জয়ের নায়কও বনে গিয়েছেন ঢাকার এই পেসার। শরিফুল ইসলাম ২৭ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। পেয়েছেন ম্যাচ সেরার পুরষ্কারও।ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন এই টাইগার পেসার। যেকোনো ক্রিকেটে এটি তার প্রথম হ্যাটট্রিক। স্বাভাবিকভাবেই খুশি শরিফুল, তবে আরও বেশি খুশি হয়েছেন তার এমন অর্জনের দিনে মাঠে তার পরিবার ছিল বলে। গ্রাম থেকে এদিন মিরপুর শের-ই-বাংলায় শরিফুলের পরিবার এসেছিল বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচ দেখতে, আর এই ম্যাচেই তাদের প্রিয় শরিফুল করলেন বাজিমাত।
উচ্ছ্বাসে ভাসতে থাকা শরিফুল জানালেন
‘আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো অনুভূতি, বিশেষ করে আমার পরিবার আজকে মাঠে এসেছে প্রথম খেলা দেখতে এবং সেদিনই আমার হ্যাটট্রিক হয়েছে। এজন্য খুব ভালো লাগছে। যদিও চিন্তা-ভাবনায় হ্যাটট্রিক ছিল না, চিন্তা করেছি আমার হাতে তখন বল আছে আরও তিনটা। আমি ভালোভাবে ফিরে আসতে পারব। হয়তোবা এখান থেকে একটা উইকেট নিতে পারব। কিন্তু হ্যাটট্রিকটা… (হয়ে গেছে)। চেষ্টা করেছিলাম (উইকেট নিতে) ইমরুল ভাইয়ের সময়, এরপর আর করিনি।’অধিনায়ক মোসাদ্দেক ও পেসার তাসকিন আহমেদের যে পরামর্শে ভয়ংকর হয়ে ওঠা খুশদিল শাহকে ফেরালেন শরিফুল, 'দু'টা ছক্কা খাওয়ার পর তাসকিন ভাই মোসাদ্দেক ভাই একই কথা বলেছিল যে, চেঞ্জ অব পেসটা করলে হয়তো ভালো হবে। কারণ, উইকেটে একটু আলাদা বাউন্স আছে। দুটা ছক্কা খাওয়ার পর মনে করছিলাম কিভাবে রান চেক দেওয়া যায়। কারণ, হয়তো আরেকটা যদি ছয় খেতাম স্কোরটা বড় হয়ে যেত। আমার লক্ষ্যটা ছিল যেন আমি ডট বল করতে পারি।'
