অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রস্তুতিতেই সেঞ্চুরি, জানালেন হৃদয়
-
1
থুশারার প্রত্যাবর্তন, ৪৬ ক্রিকেটারকে কেন্দ্রীয় চুক্তি দিল শ্রীলঙ্কা
-
2
টেস্ট ক্রিকেটে আসছে নতুন নিয়ম, প্রয়োজন হলে বদলাবে বলের রঙ
-
3
ভারতের স্পিন বোলিং কোচ হলেন সাবেক অলরাউন্ডার সৈরাজ বাহুতুলে
-
4
আফগানিস্তান টেস্টের প্রস্তুতিতে ভারতের নেটে ছয় বোলার
-
5
অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রস্তুতিতেই সেঞ্চুরি, জানালেন হৃদয়
অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রস্তুতিতেই সেঞ্চুরি, জানালেন হৃদয়
অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রস্তুতিতেই সেঞ্চুরি, জানালেন হৃদয়
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়েছেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে শতক হাঁকিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন তিনি। ম্যাচ শেষে নিজের ইনিংসের পেছনের পরিকল্পনার কথা জানাতে গিয়ে সামনে থাকা অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন জাতীয় দলের এই ব্যাটার।
হৃদয়ের মতে, রূপগঞ্জের বোলাররা কঠিন পরীক্ষা নিয়েছিল। তবে আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সিরিজের ম্যাচও যেহেতু মিরপুরেই অনুষ্ঠিত হবে, তাই সেই চ্যালেঞ্জের কথা মাথায় রেখেই তিনি ইনিংসটি গড়ার চেষ্টা করেছেন। নিজের ব্যাটিং পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হৃদয় বলেন, ‘অবশ্যই ওদের বোলিং খুব ভালো ছিল। যেহেতু সামনেই অস্ট্রেলিয়া সিরিজ আছে, মিরপুরে খেলা…এই মাঠেই খেলা হবে। সে কারণে চেষ্টা করেছি যতটুকু অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে মিল রেখে খেলার, ওই সিরিজে কীভাবে খেলব এই প্ল্যানটাই ছিল। সার্বিকভাবে আলহামদুলিল্লাহ ভালো হয়েছে।’
অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে হলেও বাংলাদেশের সামর্থ্য নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে দলের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কথা উল্লেখ করে হৃদয় বলেন, নিজেদের মাঠে বাংলাদেশও যে প্রতিপক্ষের জন্য সমান চ্যালেঞ্জিং দল, সেটি তারা প্রমাণ করেছে। একই সঙ্গে বড় সংগ্রহ গড়তে টপ অর্ডারের ভূমিকা এবং প্রয়োজনে মিডল অর্ডারের দায়িত্ব নিয়েও কথা বলেন তিনি। হৃদয়ের ভাষায়, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যেকটা টিমই বড়। অস্ট্রেলিয়া হয়তো বড় নাম, কিন্তু আমাদের মাঠে আমরাও বড় টিম এবং শেষ কিছু সিরিজে আমরা খুব আধিপত্যপূর্ণ পারফরম্যান্স করেছি দল হিসেবে। অবশ্যই চ্যালেঞ্জ থাকবে। আর বড় স্কোর করতে গেলে সবসময় ওপরের দিক থেকে রান করতে হয়। যদি আমাদের নিয়মিত টপ অর্ডার থেকে রান না আসে, সেদিন মিডল অর্ডারের দায়িত্ব থাকে যতটুকু টিমকে কন্ট্রিবিউট করা যায়।’
ব্যক্তিগত মাইলফলকের চেয়ে দলের সাফল্যকেই বেশি গুরুত্ব দেন হৃদয়। শতক পেলেও তার সবচেয়ে বড় তৃপ্তি এসেছে দলের জয়ে ভূমিকা রাখতে পারা থেকে। পাশাপাশি অধিনায়কত্বের দায়িত্ব উপভোগ করার কথাও জানিয়েছেন তিনি। ম্যাচসেরা এই ক্রিকেটার বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ টিমকে কন্ট্রিবিউট করতে পেরে খুব ভালো লাগছে। ব্যাটসম্যান হিসেবে আমার দায়িত্বই তো থাকে যে টিমকে কন্ট্রিবিউট করা। আমি সবসময় ওইটাই ট্রাই করি। আর গত বছরও ক্যাপ্টেনসি করেছি। এটা অবশ্যই উপভোগ করি।’
