ট্রটের বিদায়ে আবেগঘন আফগান শিবির, কৃতজ্ঞতায় ভাসালেন রশিদ

৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম

প্রকাশ: 4 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
ট্রটের বিদায়ে আবেগঘন আফগান শিবির, কৃতজ্ঞতায় ভাসালেন রশিদ

ট্রটের বিদায়ে আবেগঘন আফগান শিবির, কৃতজ্ঞতায় ভাসালেন রশিদ

ট্রটের বিদায়ে আবেগঘন আফগান শিবির, কৃতজ্ঞতায় ভাসালেন রশিদ

একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি কখনও কখনও কেবল একটি ম্যাচের ফলাফলে সীমাবদ্ধ থাকে না। তা হয়ে ওঠে আবেগ, স্মৃতি আর অর্জনের সমন্বয়ে গড়া এক পূর্ণাঙ্গ গল্প। আফগানিস্তান ক্রিকেটে তেমনই এক অধ্যায়ের পর্দা নামল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কানাডার বিপক্ষে ম্যাচের মাধ্যমে। সেই ম্যাচই ছিল প্রধান কোচ জোনাথন ট্রটের অধীনে আফগানিস্তানের শেষ লড়াই।

বিশ্বকাপ শেষের সঙ্গে সঙ্গেই সামনে রয়েছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ ও পরবর্তী আইপিএল সূচি। ব্যস্ত আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডারের মাঝেও দলের জন্য সবচেয়ে আবেগঘন বিষয় হয়ে উঠেছে কোচ ট্রটের বিদায়। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক রশিদ খান স্পষ্ট করলেন, এই বিদায় দলের ভেতরে বিশেষ অনুভূতির জন্ম দিয়েছে।

কোচের সঙ্গে কাটানো সময় ও তার অবদান তুলে ধরে রশিদ বলেন, "আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) জোনাথন ট্রটের আমাদের সঙ্গে শেষ ম্যাচ। তার সঙ্গে আমরা অসাধারণ কিছু সফর ও ম্যাচ কাটিয়েছি। আফগান ক্রিকেটকে বর্তমান অবস্থানে নিয়ে আসতে তিনি বড় ভূমিকা রেখেছেন।"

দলের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় ট্রটের ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততার কথাও উল্লেখ করেন আফগান অধিনায়ক। খেলোয়াড়দের সঙ্গে নিবিড় কাজ ও দলকে সুসংগঠিত করে তোলার ক্ষেত্রে তার ভূমিকাকে বিশেষভাবে মূল্যায়ন করে রশিদ বলেন, "ট্রট প্রত্যেক খেলোয়াড়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করেছেন এবং দলকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। আমরা সবাই তাকে খুব মিস করব।"

প্রেসেন্টেশনে রশিদ খান আরো বলেন, "আমার মনে হয় তার (জোনাথন ট্রটের) সাথে আমরা দারুণ কিছু সময় কাটিয়েছি। আজ আমরা যেখানে রয়েছি, সেখানে উনি প্রধান ভূমিকায় কাজ করেছেন। তার বিদায় নিতে দেখাটা আবেগী ব্যাপার, তবে জীবন এমনই। তাকে আমরা শুভকামনা জানাই এবং জীবনের কোনো এক বাঁকে হয়ত আবারও দেখা হবে।"

ট্রটের অধীনে আফগানিস্তান কেবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি, বরং শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষেও ধারাবাহিকভাবে লড়াই করার মানসিকতা গড়ে তুলেছে। দলের পারফরম্যান্সে এসেছে শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস ও কৌশলগত পরিপক্বতা যার ভিত্তিতেই সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে আফগানরা।