টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা দলে ভারতের চার ক্রিকেটার

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 4 ঘন্টা আগে আপডেট: 30 মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা দলে ভারতের চার ক্রিকেটার

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা দলে ভারতের চার ক্রিকেটার

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা দলে ভারতের চার ক্রিকেটার

আইসিসি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতেছে ভারত। আহমেদাবাদের ফাইনালে জয়ের মাধ্যমে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত ইতিহাস গড়ে প্রথম দল হিসেবে ব্যাক টু ব্যাক টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়েছে।

মাসব্যাপী এই টুর্নামেন্টে অনেক ক্রিকেটারই দারুণ পারফরম্যান্স করেছেন। সেই পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে আইসিসি প্রকাশ করেছে ‘টিম অব দ্য টুর্নামেন্ট’। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ক্রিকেটার ইয়ান বিশপ, ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ইয়ন মরগান, ধারাভাষ্যকার ন্যাটালি জার্মানোস, আইসিসি প্রতিনিধি গৌরভ সাক্সেনা এবং শ্রীলঙ্কার জ্যেষ্ঠ ক্রীড়া সাংবাদিক রেক্স ক্লেমেন্টাইনের সমন্বয়ে গঠিত প্যানেল এই দল নির্বাচন করেছে।

পাকিস্তানের ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান সাত ম্যাচে ৩৮৩ রান করে আসরের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হয়েছেন। গড় ৭৬.৬০ এবং স্ট্রাইক রেট ১৬০.২৫। একটি আসরে দুটি সেঞ্চুরি করা প্রথম ব্যাটারও তিনি।

ভারতের উইকেটকিপার ব্যাটার সঞ্জু স্যামসন হয়েছেন টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়। পাঁচ ম্যাচে ৩২১ রান করেছেন তিনি, গড় ৮০.২৫ এবং স্ট্রাইক রেট ১৯৯.৩৭। সেমিফাইনাল ও ফাইনালে টানা দুটি ৮৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

ভারতেরই আরেক ওপেনার ইশান কিষান নয় ম্যাচে ৩১৭ রান করেন। তিনটি ফিফটির পাশাপাশি পাকিস্তানের বিপক্ষে ৪০ বলে ৭৭ রান ছিল তার সেরা ইনিংস।

দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মার্করাম আট ম্যাচে ২৮৬ রান করেন এবং দলকে টানা সাত ম্যাচ জয়ে নেতৃত্ব দেন। তিনটি অর্ধশতক ছিল তার ঝুলিতে।

ভারতের অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া নয় ম্যাচে ২১৭ রান করার পাশাপাশি নিয়েছেন ৯ উইকেট। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৩ বলে ৫০ রান ছিল তার অন্যতম সেরা ইনিংস।

ইংল্যান্ডের উইল জ্যাকস ব্যাট ও বল দুই বিভাগেই অবদান রেখে আট ম্যাচে ২২৬ রান ও ৯ উইকেট নেন। চারটি ম্যাচে ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের জেসন হোল্ডার সাত ম্যাচে ১০ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি করেন ১৪১ রান। নেপালের বিপক্ষে ৪/২৭ ছিল তার সেরা বোলিং।

ভারতের পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ আট ম্যাচে ১৪ উইকেট নিয়ে যৌথভাবে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হন। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪/১৫ নিয়ে ম্যাচসেরা হন তিনি।

দক্ষিণ আফ্রিকার লুঙ্গি এনগিডি সাত ম্যাচে ১২ উইকেট নেন। কানাডার বিপক্ষে ৪/৩১ ছিল তার সেরা বোলিং।

ইংল্যান্ডের লেগ স্পিনার আদিল রশিদ আট ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়ে দলের একমাত্র বিশেষজ্ঞ স্পিনার হিসেবে জায়গা পান।

জিম্বাবুয়ের পেসার ব্লেসিং মুজারাবানি ছয় ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়ে দলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বড় ভূমিকা রাখেন।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পেসার শ্যাডলি ভ্যান শ্যালকউইক চার ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়ে ‘১২তম খেলোয়াড়’ হিসেবে জায়গা পেয়েছেন।