আফগানিস্তান-আয়ারল্যান্ডের জন্য বিশেষ কোটা, প্রশ্নের মুখে আইএলটি-টোয়েন্টি

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 6 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 মিনিট আগে
আফগানিস্তান-আয়ারল্যান্ডের জন্য বিশেষ কোটা, প্রশ্নের মুখে আইএলটি-টোয়েন্টি

আফগানিস্তান-আয়ারল্যান্ডের জন্য বিশেষ কোটা, প্রশ্নের মুখে আইএলটি-টোয়েন্টি

আফগানিস্তান-আয়ারল্যান্ডের জন্য বিশেষ কোটা, প্রশ্নের মুখে আইএলটি-টোয়েন্টি

আসন্ন ২০২৬ মৌসুম থেকে নতুন খেলোয়াড় কোটা ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টি । তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে টুর্নামেন্টের ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজিই। তা সত্ত্বেও নতুন নিয়ম বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ।

ইএসপিএন ক্রিকইনফোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মে মাসে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাছে পাঠানো ২০২৬ সালের ‘প্লেয়ার কন্ট্র্যাক্ট মডেল’-এ নতুন শর্তগুলো উল্লেখ করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, প্রতিটি দলকে স্কোয়াডে অন্তত চারজন আফগানিস্তানের এবং একজন আয়ারল্যান্ডের খেলোয়াড় রাখতে হবে। এছাড়া ম্যাচের একাদশে ন্যূনতম দুইজন আফগান, দুইজন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) এবং একজন অ্যাসোসিয়েট দেশের খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি স্কোয়াডে ২১ থেকে ২৩ জন খেলোয়াড় রাখা যাবে। একই সঙ্গে ১২টি টেস্ট খেলুড়ে দেশের ১১ জন খেলোয়াড়, চারজন ইউএই ক্রিকেটার (যার মধ্যে একজন আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ও একজন অনূর্ধ্ব-২৩ ক্রিকেটার থাকতে হবে), গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলভুক্ত দেশগুলোর দুইজন এবং একজন অ্যাসোসিয়েট দেশের খেলোয়াড় রাখাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত চার মৌসুমে খেলোয়াড় প্রাপ্যতা নিয়ে নানা সমস্যার মুখে পড়েছিল আইএল টোয়েন্টি। বিশেষ করে বিগ ব্যাশ লিগ ও দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ টোয়েন্টির মতো টুর্নামেন্টের সঙ্গে সূচির সংঘর্ষ এবং বিভিন্ন ক্রিকেট বোর্ডের বিধিনিষেধের কারণে শীর্ষ খেলোয়াড়দের পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছিল।

এছাড়া ভবিষ্যতে আরও বেশি ক্রিকেট বোর্ড বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আরোপ করতে পারে বলেও শঙ্কা রয়েছে আয়োজকদের। সে কারণে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে তাদের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে তারা।

তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর দাবি, নতুন নিয়মের ফলে তারা সেরা দল গঠনের স্বাধীনতা হারাবে। তাদের মতে, একাদশের প্রায় অর্ধেক খেলোয়াড় নির্দিষ্ট দেশ ও ক্যাটাগরি থেকে নিতে বাধ্য হলে দল নির্বাচনে নমনীয়তা কমে যাবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলোর সঙ্গেও এমন চুক্তি হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর আরও অভিযোগ, নতুন নিয়ম চালুর আগে তাদের সঙ্গে পর্যাপ্ত আলোচনা করা হয়নি। যদিও আয়োজকদের বিশ্বাস, দীর্ঘমেয়াদে খেলোয়াড় প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ লিগটির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।