আমরা ৩০-৪০ রান কম করে ফেলেছি: তাওহীদ হৃদয়
-
1
পাকিস্তানের ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তে উদ্বেগ আইসিসির
-
2
লাহোরে অস্ট্রেলিয়াকে ১১১ রানে উড়িয়ে দিয়ে হোয়াইটওয়াশ পাকিস্তানের
-
3
পাকিস্তানের ভারতবিরোধী বিশ্বকাপ বয়কট, সাবেক ক্রিকেটারদের উত্তেজনা ও উদ্বেগ
-
4
১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে না পাকিস্তান
-
5
টম ব্যান্টনের অর্ধশতক, ইংল্যান্ডের ছয় উইকেটের জয়
আমরা ৩০-৪০ রান কম করে ফেলেছি: তাওহীদ হৃদয়
আমরা ৩০-৪০ রান কম করে ফেলেছি: তাওহীদ হৃদয়
বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত দুবাইয়ের মাঠে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তবে অধিনায়ক নিজেও ভালো করতে পারেননি, তিনে নেমে হয়েছেন ডাক। ৩৫ রানে পাঁচ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে এদিন রীতিমতো রক্ষা করেন জাকের আলি অনিক ও তাওহীদ হৃদয়। পায়ের পেশিতে টান পড়ায় হৃদয় ভুগতে থাকেন দৌড়ে রান নিতে, এমনকি দাঁড়িয়ে শট খেলতেও; তবু হাল ছাড়েননি। চোটের সঙ্গে লড়াই করে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে কোনোভাবে একশোতে গিয়ে পৌঁছান হৃদয়।
৩৫/৫ থেকে বাংলাদেশকে ২২৮ পর্যন্ত নিয়ে যেতে অবদান তাওহীদ হৃদয় আর জাকের আলি অনিকেরই। জাকের ৬৮ রানে আউট হয়ে ফিরলেও ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পান হৃদয়। ইনিংসের শেষ ওভারে হৃদয় আউট হন ১১৮ বলে ১০০ রান করে। ম্যাচ হারের কারণ বলতে গিয়ে পায়ের চোটে ইনিংস ফিনিশ করতে না পারার আক্ষেপেই পুড়লেন দলের সেরা পারফর্মার।
২৬০-২৭০ হলে খেলাটা হয়তো অন্যরকম হতে পারতো বলে দাবি ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসা তাওহীদ হৃদয়ের, 'আমার কাছে মনে হয়, আমরা ৩০-৪০ রান কম করে ফেলেছি। আমি বা জাকেরের একজন যদি ভালোভাবে ফিনিশ করতে পারতাম, তাহলে ২৬০-৭০ রান হত। তখন খেলার সিনারিও ডিফারেন্ট হত।'
হৃদয়ের সেঞ্চুরি, জাকেরের ফিফটিতে বাংলাদেশ পায় লড়াইয়ের পুঁজি। রানটা খুব বড় না হওয়ার জন্য নিজের চোটকেই সামনে আনছেন হৃদয়, 'আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। জাকেরের আউটের চেয়ে আমার ক্র্যাম্পিংটা বেশি প্রভাব ফেলেছে ঐ সময়টাই। যদি আমি ঠিকঠাক থাকতাম তাহলে আরও ২০-৩০ রান বেশি করতে পারতাম দলের জন্যে।'
'আমার কাছে মনে হয়েছে এই রানেই আমরা ফাইট দিব। আমরা যদি আরও দুইটা উইকেট নিতে পারতাম তাহলে খেলার পরিস্থিতি বদলে যেত। আমাদের তো সবসময় যতটুকু রান করব, এটা দিয়েই ফাইট করতে হবে। আমাদের মাইন্ডসেট থাকে যত রানই করি না কেন, জেতার জন্য খেলব।'
