শেষের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ইংল্যান্ডের জয়ে ভেসে গেল নিউজিল্যান্ড

৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম

প্রকাশ: 4 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
শেষের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ইংল্যান্ডের জয়ে ভেসে গেল নিউজিল্যান্ড

শেষের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ইংল্যান্ডের জয়ে ভেসে গেল নিউজিল্যান্ড

শেষের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ইংল্যান্ডের জয়ে ভেসে গেল নিউজিল্যান্ড

পাল্লেকেলের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে স্পিনের জাদু আর শেষের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে  ইংল্যান্ড। টুর্নামেন্টজুড়ে ওঠানামার পর অবশেষে একটি শক্ত বার্তা দিল ইংলিশরা, চাপে পড়েও তারা ম্যাচ বের করে আনতে জানে।

আগে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ড তোলে ৭ উইকেটে ১৫৯ রান। শুরুতে পাওয়ারপ্লেতে দ্রুত রান তুললেও মাঝের ওভারগুলোতে ইংল্যান্ডের স্পিন আক্রমণে গতি হারায় কিউইরা। টিম সাইফার্ট ও ফিন অ্যালেন আক্রমণাত্মক সূচনা দিলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়ে যাওয়ায় বড় সংগ্রহ গড়া হয়নি।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন গ্লেন ফিলিপস। ২৮ বলে খেলা তার ইনিংসটি ছিল দায়িত্বশীল ও পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো। শেষদিকে মিচেল স্যান্টনার একটি ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে ১৫০ পেরোতে সাহায্য করেন। ইংল্যান্ডের হয়ে স্পিনাররা দারুণ নিয়ন্ত্রণ দেখান। আদিল রশিদ, উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ মিলেই চেপে ধরেন কিউইদের মিডল অর্ডারকে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। ম্যাট হেনরির সুইং ও লকি ফার্গুসনের বাউন্সে দ্রুত ফিরে যান ফিল সল্ট ও জস বাটলার। ২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ইংলিশরা।

হ্যারি ব্রুক কিছুটা পাল্টা আক্রমণের ইঙ্গিত দিলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তবে টম ব্যান্টনের ২৪ বলে ৩৩ রানের ইনিংস দলকে লড়াইয়ে রাখে। কিন্তু ১৭ ওভার শেষে যখন স্কোর ৬ উইকেটে ১১৭, তখনও জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৮ বলে ৪৩ রান যা প্রায় অসম্ভব সমীকরণ বলেই মনে হচ্ছিল।

সেখান থেকেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ। গ্লেন ফিলিপসের এক ওভারেই আসে ২২ রান। রেহান লং-অন দিয়ে ছক্কা হাঁকান, জ্যাকস মিডউইকেটের ওপর দিয়ে মারেন বিশাল শট। পরের ওভারেও মিচেল স্যান্টনারকে আক্রমণ করে সমীকরণ সহজ করে ফেলেন তারা।

রেহানের দুঃসাহসী ব্যাটিং রিভার্স সুইপে চার, তারপর লং-অফে ছক্কা ইংল্যান্ডকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেয়। শেষ পর্যন্ত জ্যাকসের ব্যাট থেকেই আসে জয়সূচক বাউন্ডারি, তিন বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।

নিউজিল্যান্ডের জন্য এই হার কিছুটা হতাশার হলেও তাদের সেমিফাইনালের আশা এখনও টিকে আছে। তবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে ম্যাচ শেষ করার যে সুযোগ ছিল, তা হাতছাড়া করায় আক্ষেপ থেকেই যাবে।