শ্রীলঙ্কার ফাস্ট বোলিং ঐতিহ্যে নতুন চ্যালেঞ্জে রায়ান ভ্যান নিকার্ক

৯৭ প্রতিবেদক: মোহাম্মদ আফজল

প্রকাশ: 4 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
শ্রীলঙ্কার ফাস্ট বোলিং ঐতিহ্যে নতুন চ্যালেঞ্জে রায়ান ভ্যান নিকার্ক

শ্রীলঙ্কার ফাস্ট বোলিং ঐতিহ্যে নতুন চ্যালেঞ্জে রায়ান ভ্যান নিকার্ক

শ্রীলঙ্কার ফাস্ট বোলিং ঐতিহ্যে নতুন চ্যালেঞ্জে রায়ান ভ্যান নিকার্ক

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটে বড় ধরনের কোচিং পরিবর্তন আনা হয়েছে। জাতীয় দলের বোলিং কোচ হিসেবে দুই বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক কোচ রায়ান ভ্যান নিকার্ক। পাশাপাশি জাতীয় দলের ফিল্ডিং ও স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জর্ডান গ্রেগরি। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। উভয় কোচের দায়িত্ব গ্রহণ শুরু হবে আগামী ১৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকে।

ঐতিহ্যগতভাবে শ্রীলঙ্কা পেস বোলিংয়ে সমৃদ্ধ। এক সময়ে দেশটি বিশ্বমানের পেসার হিসেবে পরিচিত ছিল চামিন্দা ভাস ও লাসিথ মালিঙ্গার মতো কিংবদন্তিদের কারণে। পরবর্তীতে নুয়ান কুলাসেকারা, দিলহারা ফার্নান্দো এবং সাম্প্রতিক সময়ে দাসুন শানাকা ও মাথিশা পাথিরানা দেশের পেস বোলিং ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছেন। এমন তারকাবহুল বোলিং ইউনিটের দায়িত্ব নেওয়া রায়ান ভ্যান নিকার্কের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নেদারল্যান্ডস জাতীয় দলের বোলিং কোচ এবং অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচ হিসেবে ২০২৩ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত কাজ করার অভিজ্ঞতা রায়ান ভ্যান নিকার্কের কাছে বিশাল সম্পদ। তিনি সেখানে দলকে ধারাবাহিকভাবে উন্নত করেছেন এবং তিনটি আইসিসি পুরুষ বিশ্বকাপে দলের প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এই অভিজ্ঞতা শ্রীলঙ্কার ফাস্ট বোলিং ইউনিটকে নতুন মাত্রা দিতে সাহায্য করতে পারে।

অন্যদিকে জর্ডান গ্রেগরি শ্রীলঙ্কার হাই পারফরম্যান্স সেন্টারে ফিল্ডিং এবং স্পিন বোলিং বিভাগ পরিচালনা করবেন। এর আগে তিনি নেদারল্যান্ডস ক্রিকেটে ফিল্ডিং কনসালট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার দক্ষতা দেশের ফিল্ডিং ও স্পিন বোলিং উন্নয়নে বড় অবদান রাখতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

শ্রীলঙ্কার ফাস্ট বোলিং ঐতিহ্য এবং বর্তমান প্রতিভাবান বোলারদের সঙ্গে রায়ান ভ্যান নিকার্কের অভিজ্ঞতা মিলে নতুন স্ট্র্যাটেজি এবং শক্তিশালী আক্রমণ গড়ে তোলা সম্ভব। তবে তারকা-পেসারদের ভরা এই পরিবেশে দায়িত্ব পালন করা চ্যালেঞ্জিং হবে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এবার দেখার বিষয়, এই নতুন কোচিং স্টাফ শ্রীলঙ্কার পেস আক্রমণকে আন্তর্জাতিক মানে কতটা উন্নীত করতে পারবে।