৩২০ রানে পিছিয়ে থেকেও দারুণ ঘুরে দাঁড়াল পাকিস্তান, ইংল্যান্ডের সামনে ১৩০ রানের লক্ষ্য
-
1
অস্ট্রেলিয়া জয়ের নায়ক হাসান মাহমুদ এবার আইসিসির মাসসেরা হওয়ার দৌড়ে
-
2
ইংল্যান্ডের রানপাহাড়ের পর বিপদে পাকিস্তান, ইনিংসে হারের শঙ্কা
-
3
নামিবিয়াকে ১৫৭ রানে হারিয়ে প্রোটিয়াদের বিশাল জয়
-
4
নারী এশিয়াকাপে বাংলাদেশকে হারিয়ে ফাইনালে ভারত
-
5
প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণার পরও অচলাবস্থা, দখল ও অনিয়মের বেড়াজালে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব
৩২০ রানে পিছিয়ে থেকেও দারুণ ঘুরে দাঁড়াল পাকিস্তান, ইংল্যান্ডের সামনে ১৩০ রানের লক্ষ্য
৩২০ রানে পিছিয়ে থেকেও দারুণ ঘুরে দাঁড়াল পাকিস্তান, ইংল্যান্ডের সামনে ১৩০ রানের লক্ষ্য
এজবাস্টন টেস্টের তৃতীয় দিনে অবিশ্বাস্য এক লড়াকু পারফরম্যান্সের দেখা মিলল পাকিস্তানের কাছ থেকে। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে গড়ে তোলা ৩২০ রানের বিশাল লিডের বিপরীতে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৪৯ রান তুলে অলআউট হয়েছে পাকিস্তান। ফলে জয়ের জন্য স্বাগতিক ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ১৩০ রান।
প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৩৩ রানে গুটিয়ে যাওয়া পাকিস্তানের জবাবে ইংল্যান্ড তোলে ৪৫৩ রান। ৩২০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে সফরকারীরা। ২০১৬ সালের ওভাল টেস্টে ৫৪২ রানের পর এটিই ইংল্যান্ডের মাটিতে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ দলগত ইনিংস।
দিনের শুরুতে ২ উইকেটে ৫২ রান নিয়ে খেলা শুরু করেন শান মাসুদ ও আজান ওয়াইস। ৮১ বলে শান মাসুদ এবং ৭৮ বলে আজান ওয়াইস নিজ নিজ অর্ধশতক পূরণ করেন। ১০০ রান পার করার পর আজান ওয়াইসকে (৫৯) আউট করে এই জুটি ভাঙেন ড্যান লরেন্স। এরপর অধিনায়ক বাবর আজমকে সাথে নিয়ে বড় জুটির ইঙ্গিত দেন শান মাসুদ। তবে দলীয় ২১৪ রানে ৯৫ রান করে গাস অ্যাটকিনসনের বলে শান মাসুদ ফিরে গেলে ভাঙে ৮৯ রানের এই চতুর্থ উইকেট জুটি।
ধারাবাহিকতাহীনতার সমালোচনা কাটিয়ে বাবর আজম সিরিজের নিজের প্রথম অর্ধশতক তুলে নেন ৭৬ বলে। ১০৩ বলে ১১টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৭৬ রান করে জোশ টাংয়ের শিকার হন তিনি। ২৭৮ রানে পঞ্চম উইকেট হারানোর পর ইংল্যান্ডের পেসারদের তোপে পড়ে ৩১৮ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান।
তবে নবম উইকেটে অলৌকিক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন টেস্ট অভিষিক্ত রেজাউল্লাহ ও অভিজ্ঞ মোহাম্মদ আব্বাস। এই জুটি ম্যাচের দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে দেয়। মাত্র ৯৫ বলে ১২১ রান যোগ করেন তারা। অভিষিক্ত রেজাউল্লাহ রীতিমতো চড়াও হন ইংলিশ বোলারদের ওপর। বিশেষ করে গাস অ্যাটকিনসন ও জোফরা আর্চারকে ছক্কায় ভাসিয়ে মাত্র ৪৩ বলে নিজের প্রথম হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন।
আব্বাস ৬৭ বলে ৪২ রান করে জোশ টাংয়ের বলে আউট হলে ভাঙে এই বিধ্বংসী জুটি। শেষ পর্যন্ত ৬৩ বলে ৮১ রানের এক তাণ্ডুবে ইনিংস খেলে ড্যান লরেন্সের বলে আউট হন রেজাউল্লাহ। নিজের এই ইনিংসে ৪টি চার ও ৯টি ছক্কা হাঁকান তিনি। এর মাধ্যমে টেস্ট অভিষেকে সর্বাধিক ৯টি ছক্কা হাঁকানোর টিম সাউথির বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ করেন রেজাউল্লাহ।
ইংল্যান্ডের পক্ষে গাস অ্যাটকিনসন ১০৯ রানে ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া ওলি রবিনসন, জোশ টাং এবং ড্যান লরেন্স প্রত্যেকে ২টি করে উইকেট শিকার করেন।
পাকিস্তান তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৪৯ রানে থামলে ইংলিশদের সামনে জয়ের জন্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৩০ রানের সহজ সমীকরণ।
