প্রথম দিনেই ১৪০ রানে গুটিয়ে গেল বাংলাদেশ, চালকের আসনে জিম্বাবুয়ে
প্রথম দিনেই ১৪০ রানে গুটিয়ে গেল বাংলাদেশ, চালকের আসনে জিম্বাবুয়ে
প্রথম দিনেই ১৪০ রানে গুটিয়ে গেল বাংলাদেশ, চালকের আসনে জিম্বাবুয়ে
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের প্রথম দিনটি একেবারেই নিজেদের করে নিতে পারল না বাংলাদেশ দল। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে জিম্বাবুয়ের পেস আক্রমণের মুখে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। প্রথম ইনিংসের মাত্র ৪৭.২ ওভারে ১৪০ রানেই অলআউট হয়ে গেছে বাংলাদেশ।
হারারের পেস সহায়ক পিচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভা। জিম্বাবুয়ের পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে শুরুতেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় মাত্র ৬ রানে ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় (২) নিউম্যান নিয়ামহুরির শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন। আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম কিছুটা থিতু হওয়ার আভাস দিলেও ২০ রান করে ব্র্যাড ইভান্সের বলে আউট হন।
তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও অভিজ্ঞ মুমিনুল হক মিলে ৫৬ রানের একটি জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে শান্ত দারুণ ধৈর্যের পরিচয় দিলেও ৭৩ বলে মাত্র ১৯ রান করে এনগারাভার বলে ক্যাচ দিয়ে বসেন। এক প্রান্ত আগলে রেখে দারুণ ব্যাটিং করা মুমিনুল হক টেস্ট ক্যারিয়ারের আরেকটি লড়াকু ইনিংস খেলেন। ১২টি চারের সাহায্যে ৮১ বলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬০ রান করে শেষ পর্যন্ত নিয়ামহুরির বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি।
মুমিনুলের বিদায়ের পর বাংলাদেশের লোয়ার-মিডল অর্ডার পুরোপুরি ধসে পড়ে। মুশফিকুর রহিম (১১), অভিষিক্ত তাওহিদ হৃদয় (৬), অমিত হাসান (৪) এবং তাইজুল ইসলামরা (৯) কেউই উইকেটে টিকতে পারেননি। মাত্র ৪8 রানের ব্যবধানে শেষ ৮টি উইকেট হারিয়ে ১৪০ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
জিম্বাবুয়ের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন তরুণ বাঁহাতি পেসার নিউম্যান নিয়ামহুরি। তিনি ১২.২ ওভারে ৬১ রান খরচ করে তুলে নেন ৪টি উইকেট। এ ছাড়া অত্যন্ত কিপটে বোলিং করে বাংলাদেশের ব্যাটারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন ব্লেসিং মুজারাবানি ও অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভা। মুজারাবানি ১৫ ওভারে ৮ মেডেনসহ মাত্র ১৯ রান দিয়ে ২টি এবং এনগারাভা ১০ ওভারে ৪ মেডেনসহ ১৮ রান দিয়ে ২টি উইকেট শিকার করেন। বাকি ২টি উইকেট নেন ব্র্যাড ইভান্স।
