ঘরোয়া আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পার্থক্যের কারণেই বাংলাদেশের বেহাল দশা
-
1
পাকিস্তানের ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তে উদ্বেগ আইসিসির
-
2
অপরাজিত যাত্রার শেষটাও জয়ে, নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে বাছাইপর্ব সেরা বাংলাদেশ নারী দল
-
3
পাকিস্তানের ভারতবিরোধী বিশ্বকাপ বয়কট, সাবেক ক্রিকেটারদের উত্তেজনা ও উদ্বেগ
-
4
লাহোরে অস্ট্রেলিয়াকে ১১১ রানে উড়িয়ে দিয়ে হোয়াইটওয়াশ পাকিস্তানের
-
5
১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে না পাকিস্তান
ঘরোয়া আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পার্থক্যের কারণেই বাংলাদেশের বেহাল দশা
ঘরোয়া আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পার্থক্যের কারণেই বাংলাদেশের বেহাল দশা
চট্টগ্রাম টেস্টে ব্যাটে-বলে বাজে পারফরম্যান্সে বিব্রতকর পরাজয়ের সামনে বাংলাদেশ। ৫১১ রানের অসম্ভব লক্ষ্যে বাংলাদেশকে গড়তে হতো রেকর্ড। কিন্তু ফের ব্যাটিং বিপর্যয়ে, ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছে। কাল টেস্টের শেষ দিনে বাংলাদেশের জন্য অপেক্ষা করছে, বিশাল রানের বোঝার সঙ্গে উইকেটের চ্যালেঞ্জ। সংবাদ সম্মেলনে আসা মুমিনুল হক বললেন, ম্যাচ হারের কারণ ও ব্যাটারদের সমস্যা হয়েছে কোথায়।
এই ম্যাচ জিততে বা ড্র করতে হলে বাংলাদেশকে পঞ্চম দিনে পাড়ি দিতে হবে কঠিন পথ। ম্যাচ জিততে হলে গড়তে হবে বিশ্ব রেকর্ড, রান করতে হবে আরও ২৪৩। ড্র করতে হলে খেলতে হবে পুরো এক দিন। যেখানে হাতে বাকি কেবল ৩ উইকেট।
মুমিনুল হকের মতে, ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পার্থক্যের গ্যাঁড়াকলে আটকা নতুন ক্রিকেটাররা।
'হ্যাঁ আমি আর অন্য আরেকটা জুনিয়র ক্রিকেটারের মধ্যে তফাত আছে। আমি আজকেসহ ৬১টা টেস্ট ম্যাচ খেলেছি। আমি অনেক খেলার কারণে হয়ত বুঝি কখন কী করতে হবে কীভাবে করতে হবে। কখনও হয়ত কাজে লাগাতে পারি কখনও পারি না।'
'আমার কাছে মনে হয় যে, শুনতেও খারাপ লাগতে পারে আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটের খেলা এবং আন্তর্জাতিকের খেলা অনেক ভিন্ন ভাই। আকাশ পাতাল তফাত ভাই। আপনারাও জানেন আমিও জানি সবাই জানে। আমি নিজেও তো জাতীয় লিগ খেলি আমি নিজেও কখনও চ্যালেঞ্জ ফেইস করি না। এখানে আন্তর্জাতিকে যেমন চাপ মোকাবেলা করতে হয়। আমি সততার সাথে কথাগুলো বলতেসি।'
