১০৮ রান ডিফেন্ড করে নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসগড়া জয়
-
1
পিএসএলের নিষেধাজ্ঞা ঘিরে বিতর্ক, মুজারাবানির পক্ষে এজেন্টের কঠোর প্রতিক্রিয়া
-
2
নাহিদ রানার আগুনে স্পেল, নিউজিল্যান্ড থেমে যায় ১৯৮ এ
-
3
শারমিনের ব্যাটে লড়াই জয়, শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের
-
4
সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে বাংলাদেশের দাপুটে জয়, সমতায় ফিরল লড়াই
-
5
১ বছরের জন্য পিএসএলে নিষিদ্ধ দাসুন শানাকা
১০৮ রান ডিফেন্ড করে নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসগড়া জয়
১০৮ রান ডিফেন্ড করে নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসগড়া জয়
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর নাটকীয় জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। ডাম্বুলায় শ্রীলঙ্কাকে ৫ রানে হারিয়েছে তারা। ফলে ২ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করলো সফরকারীরা।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১০৮ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। শূন্য রানে শুরুতেই ফিরে যান টিম রবিনসন। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ বলে ৩০ রান করেন আরেক ওপেনার উইল ইয়ং। তার ইনিংসে ছিল ৩ টি চার।
ওয়ানেন্দু হাসারাঙ্গার আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে ক্রিজে সেট হতেই পারেনি নিউজিল্যান্ডের মিডল অর্ডার ব্যাটাররা। মাত্র ৫২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা। শেষ দিকে অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ও জশ ক্লার্কসনের ৩৫ বলে ৩২ রানের জুটিতে ১০০ রান পার করতে পারে নিউজিল্যান্ড। তাছাড়া ২ অংকের রান ছুটে পারেনি কেউ।
নির্ধারিত ওভারের ৩ বল হাতে রেখেই ১০৮ রানে অলরাউট হয়ে যায় কিউইরা। শ্রীলঙ্কার হয়ে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ৪ টি, মাথিসা পাথিরানা ৩ টি ও নুয়ান থুসারা ২ টি উইকেট নেন।
১০৯ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইনআপ। অবশ্য ব্যতিক্রম অধিনায়ক ও ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কা। এক প্রান্তে যখন চলছিলো যাওয়া আসার মিছিল অপর প্রান্তে তখন মাটি কামড়ে পড়ে ছিল এই ব্যাটার।
কুশল পেরেরার সাথে ১৮, রাজাপাকসার সাথে ২৯, এবং থিকসানার সাথে ২০ রানের জুটি গড়ে লড়াই জমিয়ে রাখে নিসাঙ্কা। ৩ উইকেট হাতে রেখে শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৮ রান দরকার ছিল লঙ্কানদের। ক্রিজে তখন ও পাথুম নিশাঙ্কা।
শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে ছক্কা মারতে গিয়ে হেনরি নিকোলসের হাতে ক্যাচ দেন নিশাঙ্কা। পরের বলে মাথিশা পাথিরানা হন স্টাম্পিং। ফলে বোলার গ্লেন ফিলিপসের জন্য তৈরি হয় হ্যাটট্রিকের সুযোগ। তবে হ্যাটট্রিক না হলেও পঞ্চম বলে থিকসানাকে আউট করে নিউজিল্যান্ডকে জয় উপহার দেন গ্লেন ফিলিপস।
নাটকীয় শেষ ওভারে লঙ্কানরা গুটিয়ে যায় ১ বল হাতে রেখে ১০৩ রানে। কিউইদের হয়ে ৩ টি করে উইকেট নেন গ্লেন ফিলিপস ও লকি ফার্গুসন। ম্যাচ সেরা হন লকি ফার্গুসন।
