শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের দোকান সরানোর আশ্বাস
97 Repoter: 97author
Publish: messages.not_available Update: 47 minutes ago-
1
Haris Rauf Fined 20 of Match Fee, Handed One Demerit Point
-
2
Why Mushfiqur Rahim Is Missing Bangladeshs First Test Against West Indies
-
3
Bangladesh Reach 96-2 at Lunch After Losing Two Wickets in Mirpur Test
-
4
Shadman One Run Away from Century as Bangladesh End Day 1 in Strong Position
-
5
Inglis and Careys Twin Half-Centuries Put Australia in the Lead
শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের দোকান সরানোর আশ্বাস
শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের দোকান সরানোর আশ্বাস
আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের সীমানার ভেতরে একটা বড় অংশ জুড়ে আসবাবপত্রের দোকান। ব্যাপারটা আসলেই চোখে পড়ার মত। তবে এতদিন ধরে সবার চোখে পড়লেও সেটা সরানোর কোন উদ্যোগ ছিলোনা।
অবশেষে ক্রীড়া সচিব মোঃ আসাদুল হক আশ্বাস দিলেন শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের চারপাশে যেসব দোকান রয়েছে সব দোকান সরানোর। এমনটাই জানালেন গণমাধ্যমকে।
গতকাল মঙ্গলবার ক্রীড়া সচিব মোঃ আসাদুল হক বিসিবিতে এসেছিলেন বোর্ড প্রধানের সাথে দেখা করতে। এসময় বিসিবি প্রধান বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন ক্রীড়া সচিবের সাথে। সেখানে এই দোকান গুলো সরানোর দাবি জানান বিসিবি প্রধান। এরপর ক্রীড়া সচিব আশ্বাস দেন দোকান উচ্ছেদের।
মোঃ আসাদুল হক গনমাধ্যমকে জানান, ‘অনেক কিছু নিয়েই বোর্ড প্রধানের সাথে আলোচনা হয়। এর ভেতর তিনি দোকানগুলো সরানোর জন্য জোর দাবি জানান। শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম একটি আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম। এই দিকে আমাদের আরো বেশি নজর দেয়া দরকার। বিশ্বের কোন আন্তর্জাতিক মাঠে এত দোকান থাকেনা। এ বিষয়টি নিয়ে আমরা ভাবছি।’
দেশের বেশিরভাগ স্টেডিয়ামের মত মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে। এতদিন ধরে এ বিষয়টি নিয়ে বিসিবি ক্রীড়া পরিষদের কাছে জানিয়ে আসলেও দোকান মালিকদের মামলা বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছিলো। যদিও এ নিয়ে ক্রীড়া পরিষদ আন্তরিক নয় বলেও প্রশ্ন উঠেছে এর আগে।
ক্রীড়া সচিব আরও বলেন, ‘এই সমস্যা ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে নিলাম। এসব ব্যাপারে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাথে আলোচনায় বসবো। এরপর বিসিবি’র সাথে আবারো কথা বলে দেখবো কিভাবে সমাধান করা যায়।’
শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে যেভাবে দোকান খুলে বসা হয়েছে এমনটি অন্যান্য দেশের স্টেডিয়ামে দেখা যায়না বললেই চলে। এসব দোকানের জন্য অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় ক্রিকেটারদেরও। একাডেমী মাঠ থেকে মূল মাঠে যাওয়ার রাস্তায়ও রয়েছে অনেকগুলো দোকান। স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও হুমকি এই দোকানগুলো।
