চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশের সেরা পারফর্মার যারা
-
1
স্টেডিয়ামের স্ট্যান্ডে সাবেকদের নাম দেওয়ার পরিকল্পনায় তামিম
-
2
আঞ্চলিক কমিটি ভেঙে নির্বাচনের পথে বিসিবি
-
3
শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি গ্যালারি, বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টে বিশেষ উদ্যোগ
-
4
টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ
-
5
৫০ টাকায় টেস্ট দেখার সুযোগ, শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি গ্যালারি ঘোষণা বিসিবির
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশের সেরা পারফর্মার যারা
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশের সেরা পারফর্মার যারা
প্রথম দুই ম্যাচ হেরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে বাদ পড়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ায় রাওয়ালপিন্ডিতে পরিত্যক্ত হয় বাংলাদেশ-পাকিস্তানের নিয়মরক্ষার শেষ ম্যাচ, হতাশার আসরে বাংলাদেশ পায় একটি পয়েন্ট। পারফর্ম্যান্সে নিজেদের সর্বস্ব ঢেলে দেওয়ার বদলে সবচেয়ে বাজে প্রদর্শনী মেলে ধরেন মাহমুদউল্লাহ, মুশফিকুর রহিমরা। ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংয়েও বলার মতো পারফর্ম করেনি দেশের কেউ।
চরম ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে। প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে ৬ উইকেটে হেরে যাওয়া বাংলাদেশ পরের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে পরাস্ত হয় ৫ উইকেটে। ভারত ম্যাচে টাইগার ব্যাটারদের ডট বল ১৫৯টি, কিউইদের বিপক্ষে ম্যাচে ডট বলের সংখ্যা ছিল ১৮১টি। দুই ম্যাচেই স্ট্রাইক বদল করতে ভুগেছেন টাইগার ব্যাটাররা। ডট বলকে যেন দেয়ালের মতো স্তূপ করেছে, দুই ম্যাচ মিলিয়ে মোট ৫৬.৪ ওভার!
বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রান জাকের আলি অনিকের। ২ ম্যাচে জাকের রান পেয়েছেন মোট ১১৩, ভারতের বিপক্ষে পান ফিফটি। তালিকায় পরের নামটি তাওহীদ হৃদয়ের। এই আসরে বাংলাদেশের একমাত্র সেঞ্চুরিয়ান হৃদয়ের মোট রান ১০৭। তিনে থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত করেছেন ৭৭ রান। ভারতের বিপক্ষে ডাক হয়ে এই ৭৭ রান করেন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে।
বল হাতেও আলো ছড়াতে ব্যর্থ তাসকিন, মুস্তাফিজরা। দুই ম্যাচে ২০ ওভার বল করা মেহেদী হাসান মিরা উইকেটশূন্য। সর্বোচ্চ ৩ উইকেট লেগ-স্পিনার রিশাদ হোসেনের। মুস্তাফিজ ও তাসকিন উইকেট শিকার করতে পারেন দু'টি করে। এক ম্যাচ খেলা নাহিদ রানার দখলে এক উইকেট। মিরাজের মতো উইকেটশূন্য থাকেন পেসার তানজিম হাসান সাকিব।
২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশের সেরা পারফর্মার-
জাকের আলি অনিক- ১১৩ রান (২ ম্যাচ), স্ট্রাইকরেট ৬৬.৮৬
তাওহীদ হৃদয়- ১০৭ রান (২ ম্যাচ), স্ট্রাইকরেট ৭৫.৩৫
নাজমুল হোসেন শান্ত- ৭৭ রান (২ ম্যাচ), স্ট্রাইকরেট ৬৮.৭৫
তানজিদ হাসান তামিম- ৪৯ রান (২ ম্যাচ), স্ট্রাইকরেট ১০০.০০
রিশাদ হোসেন- ৪৪ রান (২ ম্যাচ), স্ট্রাইকরেট ১১৮.৯১
রিশাদ হোসেন- ৩ উইকেট, গড় ৩২.০০, ইকনোমি ৫.০০
মুস্তাফিজুর রহমান- ২ উইকেট, গড় ৫২.০০, ইকনোমি ৫.৪৭
তাসকিন আহমেদ- ২ উইকেট, গড় ৩২.০০, ইকনোমি ৪.০০
নাহিদ রানা- ১ উইকেট, গড় ৪৩.০০, ইকনোমি ৪.৭৭
