বিপিএলে ফিক্সিং নিষিদ্ধ চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক মালিক ও কর্মকর্তা
-
1
নীতিশ ও স্যামসনের দাপটে আফগানিস্তানকে উড়য়ে সিরিজ জয় ভারতের
-
2
চট্টগ্রামে জমকালো আয়োজনে চট্টগ্রাম রিজিওনাল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
-
3
টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের অধিনায়কত্ব ছাড়লেন জ্যোতি
-
4
জাতীয় ক্রিকেট লিগের ২৮তম আসর শুরু ৩ অক্টোবর, পর্দা নামবে ১৭ নভেম্বর
-
5
বিপিএলে ফিক্সিং নিষিদ্ধ চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক মালিক ও কর্মকর্তা
বিপিএলে ফিক্সিং নিষিদ্ধ চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক মালিক ও কর্মকর্তা
বিপিএলে ফিক্সিং নিষিদ্ধ চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক মালিক ও কর্মকর্তা
ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে আকর্ষণীয় আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ফিক্সিং ও দুর্নীতির কালো ছায়া, যার জেরে ফ্র্যাঞ্চাইজির দুই শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) অ্যান্টি-করাপশন কোডের চারটি আলাদা ধারা লঙ্ঘনের দায়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক স্বত্বাধিকারী আবদুল কাইয়ুম রাশেদ এবং ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সাবেক অপারেশন ম্যানেজার আমিন খানকে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বিসিবির অ্যান্টি-করাপশন ইউনিট (বিসিবিআইইউ) কর্তৃক পরিচালিত দীর্ঘ তদন্তে বিপিএলের গত দুই আসরে ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত করা, গোপন আর্থিক লেনদেন, এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কাজে সরাসরি বাধা দেওয়ার প্রমাণ উঠে এসেছে।
বিতর্কিত কর্মকর্তা আবদুল কাইয়ুম রাশেদের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গোপন রাখা এবং ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য নিজস্ব মুঠোফোন হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানানোর মতো গুরুতর চার দফায় লিখিত অভিযোগ এনেছে বিসিবি।
দুই মৌসুমে যথাক্রমে দুর্বার রাজশাহী ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের ডাগআউটে থাকা আমিন খানের ওপর অভিযোগ উঠেছে অন্য খেলোয়াড়দের ফিক্সিংয়ে প্ররোচিত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের নথি ধ্বংস করে তথ্য গোপন করার।
সাময়িক বরখাস্তের কারণে অভিযুক্ত এই দুই ব্যক্তি বর্তমানে ক্রিকেটের সব ধরণের আনুষ্ঠানিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হলেও, নিজেদের নির্দোষ দাবি করার সুযোগ হিসেবে তাদের হাতে ১৪ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
নির্ধারিত সময়সীমার ভেতরে তাদের প্রেরিত জবাব পর্যালোচনার পর আইসিসির নিয়ম মেনে পরবর্তী স্বাধীন ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে, যা দুই কর্মকর্তার চূড়ান্ত শাস্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান করবে।
