জাতীয় দল ও ফিটনেস সবার আগে, নাহিদ রানাকে নিয়ে বিসিবির কড়া অবস্থান
-
1
মেহিদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণি জাদুতে গায়ানার সহজ জয়
-
2
৩২০ রানে পিছিয়ে থেকেও দারুণ ঘুরে দাঁড়াল পাকিস্তান, ইংল্যান্ডের সামনে ১৩০ রানের লক্ষ্য
-
3
প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণার পরও অচলাবস্থা, দখল ও অনিয়মের বেড়াজালে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব
-
4
ঘরোয়া ক্রিকেটে সততা রক্ষায় স্বাধীন বিসিবি, তদন্ত প্রক্রিয়া জানালেন ইন্টিগ্রিটি প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল
-
5
জাতীয় দল ও ফিটনেস সবার আগে, নাহিদ রানাকে নিয়ে বিসিবির কড়া অবস্থান
জাতীয় দল ও ফিটনেস সবার আগে, নাহিদ রানাকে নিয়ে বিসিবির কড়া অবস্থান
জাতীয় দল ও ফিটনেস সবার আগে, নাহিদ রানাকে নিয়ে বিসিবির কড়া অবস্থান
বিদেশের মাটিতে লাল-সবুজের জার্সিধারীদের বল ও ব্যাটের দাপট নিয়মিত দৃশ্য হয়ে উঠছে, যার ইতিবাচক হাওয়া বইছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অন্দরমহলেও। কাউন্টি ক্রিকেটে হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদের বোলিং তোপ কিংবা ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজের লড়াকু পারফরম্যান্স বিসিবিকে ক্রমাগত গর্বিত করে চলেছে। ক্রিকেটাররা প্রবাসে সুযোগ পাওয়ার পর যেভাবে নিজেদের নিংড়ে দিয়ে দলের জয়ে ভূমিকা রাখছেন, তাতে বোর্ডের শীর্ষকর্তারা অত্যন্ত সন্তুষ্ট।
তবে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের লোভনীয় প্রস্তাব পেলেও বিসিবি তার কেন্দ্রীয় নীতি থেকে সরছে না। ব্যক্তিস্বার্থ বা ফ্র্যাঞ্চাইজির চেয়ে জাতীয় দলের প্রয়োজনকেই সর্বাগ্রে স্থান দেওয়া হচ্ছে। অতি সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগের দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি বাংলাদেশের উদীয়মান গতি তারকা নাহিদ রানাকে দলে নিতে আগ্রহ দেখায় এবং সরাসরি তার সঙ্গে যোগাযোগও করে। কিন্তু জাতীয় দলের জন্য তার শারীরিক অবস্থা পুরোপুরি উপযুক্ত না থাকায় এখনই তাকে বিদেশে পাঠানোর সবুজ সংকেত দিচ্ছে না বোর্ড। তার ফিটনেস ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত আপডেট নিয়ে শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে কথা বলেন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফিস।
নাহিদ রানার শারীরিক পরিস্থিতি ও বোলিং ফিটনেস পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, "নাহিদ এখনো পুরোপুরি ফিট নন। তিনি পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় আছেন। বোলিং ফিটনেস ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের কথা ভাবা হচ্ছে না।"
এই নীতি এবং এনওসি দেওয়ার পরিধি তুলে ধরে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফিস জানান, "সবার আগে বাংলাদেশ টিম, তারপর খেলোয়াড়ের শারীরিক সুস্থতা। তারপরই আসে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের বিষয়। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ২৯টি অনাপত্তিপত্র দিয়েছে বিসিবি। খেলোয়াড়দের বিদেশে সুযোগ করে দিতে বোর্ড আগ্রহী। তবে জাতীয় দলের পারফরম্যান্সে যাতে কোনো প্রভাব না পড়ে, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।"
