ভুল আগেই হয়ে গেছে, আফসোস নিতে চাইলেন না মিঠুন
-
1
চেষ্টা করেছি বলের মেরিট অনুযায়ী খেলার- মিরাজ
-
2
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজ সমতায় ফেরাল পাকিস্তান
-
3
বাংলাদেশের মুখোমুখি হওয়ার আগে অজি পেসারের নতুন কৌশল
-
4
পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দলে জো রুটদের নতুন অধ্যায় ৩ নম্বরে জর্ডান কক্স
-
5
মিরাজের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি, ডারউইনে প্রথম দিনে ২৬৩ রানে গুটিয়ে গেল বাংলাদেশ
ভুল আগেই হয়ে গেছে, আফসোস নিতে চাইলেন না মিঠুন
ভুল আগেই হয়ে গেছে, আফসোস নিতে চাইলেন না মিঠুন
সর্বশেষ ৭ ম্যাচের মধ্যে ৫ ম্যাচে জয় লাভ করেছে সিলেট স্ট্রাইকার্স। কিন্তু দলটির খেলা প্রথম পাঁচ ম্যাচে ছিল না কোনো জয়। এই শূন্যতা আর পূরণ হয়নি। শেষপর্যন্ত টেবিলের ৬ নম্বরে থেকে টুর্নামেন্ট শেষ করতে হয়েছে। গতকাল খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটিতেও জয় নিশ্চিত করে সিলেট। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন সিলেট অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন।
আফসোসের সুর নিতে চাননি মিঠুন। নিজেরা যেভাবে টুর্নামেন্ট শেষ করেছেন তাতে খুশি। বললেন, ভুল যেটা হয়েছে, সেটা অনেক আগেই হয়ে গেছে। সেটা আর ফিরে পাওয়া সম্ভব না। এমন অবস্থাতেও কীভাবে নিজেদের অনুপ্রেরণা দিয়েছেন? সে প্রসঙ্গে সিলেটের ফ্যাঞ্চাইজি ও মালিকপক্ষের প্রশংসা করলেন মিঠুন।“মোটিভেট ওইভাবে কিছু ছিল না, আমরা প্যানিকড হইনি। আমাদের ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে ওইভাবে কোন চাপ ছিল না। অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিদের কথা জানি না। আমাদের ফ্র্যাঞ্চাইজি আমাদের সবসময় সাপোর্ট করেছেন। টানা এতগুলো ম্যাচ হারার পরেও আমাদের জন্য বিনোদনের ব্যবস্হা করেছেন। তো খেলোয়াড়রা কখনো মনে করেনি আমরা এতগুলো ম্যাচ হেরে গেছি এখান থেকে কামব্যাক করতে পারব না।”নাজমুল হোসেন শান্তর জন্য ভুলে যাওয়া এক টুর্নামেন্ট। ১২ ইনিংসে ব্যাট করে সংগ্রহ করেছেন কেবল ১৭৫ রান, গড় যেখানে ১৪.৫৮, ৩০+ ইনিংস ছিল মোটে ৩ টি- যার একটা গতকাল খুলনার বিপক্ষে খেলেছেন। টুর্নামেন্টে তাঁর ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান ছিল গতকালের ম্যাচেই, ৩৯ রান। শান্ত প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মিঠুন বলেন, “হ্যাঁ, অবশ্যই। আপানারাও জানেন ও কত বড় প্লেয়ার। সম্প্রতিই বাংলাদেশের তিন ফরম্যাটের অধিনায়ক হয়েছে। আমাদেরও ওর উপর অনেক আশা ছিল। ও চেষ্টা করেছে, কষ্ট করেছে কিন্তু হয়নি। সবকিছু সবসময় সবার হাতে থাকে না যে চাইলেই ও শক্তভাবে ব্যাক করবে। ওর চেষ্টার কমতি ছিল না, টিমের সমর্থন ছিল ওর উপর। দল হিসেবে আমরা ওর সার্ভিস মিস করেছি। কিন্তু আমরা জানি ও একজন গ্রেট প্লেয়ার, ও খুব তারাতাড়ি কামব্যাক করবে।” “যেটা বললাম ওর চেষ্টার কমতি ছিল না। আমি ওর সাথে কথা বলতাম, ও প্রতিটি ম্যাচেই ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে আসত। তারপরও ফেইল করত। একটা সময় খেলোয়াড় হিসেবে একটু হতাশা আসতেই পারে। ও চেষ্টা করেছে শেষের দিকে আরেকটু রিলাক্সে থাকতে। আমি মনে করি ও সঠিক কাজটাই করেছে। কিন্তু হয়নি, কেন হয়নি এর উত্তর আমার কাছে নাই আশা করি সামনে যে আন্তর্জাতিক সিরিজ আছে সেখানে ও ভালো করবে।” নিজের অধিনায়ক নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন মিঠুন। এর আগে তিনি অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন, ফলে অসুবিধা বা কঠিন কিছু মনে হয়নি। সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করলে, অধিনায়কত্ব করতে পারা খুব কঠিন কিছু নয় বলে মনে করেন তিনি।
