পশ্চিম এশিয়া সংকটে দর্শকশূন্য পিএসএল ২০২৬
-
1
শিরোপা ধরে রাখতে ১২০ শতাংশ দেওয়ার বার্তা কোহলির, আত্মবিশ্বাসী কোচ ফ্লাওয়ার
-
2
ফিটনেস টেস্ট পাস না করলে মিলবে না এনওসি, আইপিএলের আগে কড়াকড়ি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটে
-
3
করাচি কিংসে হেনড্রিকস, ব্যক্তিগত কারণে ছিটকে গেলেন চার্লস
-
4
নিউজিল্যান্ডকে ১৯ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল দক্ষিণ আফ্রিকা
-
5
পশ্চিম এশিয়া সংকটে দর্শকশূন্য পিএসএল ২০২৬
পশ্চিম এশিয়া সংকটে দর্শকশূন্য পিএসএল ২০২৬
পশ্চিম এশিয়া সংকটে দর্শকশূন্য পিএসএল ২০২৬
পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংকটের ছায়া পড়েছে পাকিস্তান সুপার লিগেও। অনিশ্চয়তার এই প্রেক্ষাপটে বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে পিএসএল ২০২৬ আয়োজন করা হচ্ছে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে।
মূল সূচি অনুযায়ী ছয়টি ভেন্যুতে ম্যাচ হওয়ার কথা থাকলেও তা কমিয়ে আনা হয়েছে দুটি শহরে। এখন পুরো আসরের সব ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে লাহোর ও করাচিতে।
শুধু ভেন্যু কমানোই নয়, লাহোরে নির্ধারিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও বাতিল করা হয়েছে। পরিস্থিতির কারণে আয়োজকরা ঝুঁকি নিতে চাননি।
পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি জানিয়েছেন, আসরের শেষ দিকে দর্শক ফেরানোর সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ নয়। তবে সেটি নির্ভর করছে ইরানকেন্দ্রিক চলমান সংকট কত দ্রুত শেষ হয় তার ওপর।
পশ্চিম এশিয়ার এই অস্থিরতা বৈশ্বিক তেল সংকটও তৈরি করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় পাকিস্তানে জ্বালানি পরিস্থিতি আরও চাপের মুখে পড়েছে।
সরকার ইতোমধ্যে নাগরিকদের চলাচল সীমিত করার আহ্বান জানিয়েছে। স্কুল বন্ধ রাখা, বাসা থেকে কাজের ব্যবস্থা চালু করা এবং ঈদের ছুটি বাড়ানোর মতো পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে।
এই বাস্তবতায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে পিসিবি সিদ্ধান্ত নেয়, নির্ধারিত সূচি বজায় রেখেই টুর্নামেন্ট চালানো হবে। তবে জনসমাগম এড়িয়ে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে দর্শকবিহীন স্টেডিয়ামে।
ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর আর্থিক ক্ষতির বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। নকভি জানিয়েছেন, দর্শক না থাকায় যে রাজস্ব ক্ষতি হবে, তার জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং ইতোমধ্যে টিকিট কেনা দর্শকদের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
যেসব শহর এবার ম্যাচ আয়োজনের সুযোগ হারাচ্ছে, তাদের প্রতিও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি। বিশেষ করে ২৮ মার্চ ম্যাচ আয়োজনের কথা ছিল পেশোয়ারে, সেটিও আর হচ্ছে না।
আগামী ২৬ মার্চ শুরু হবে পিএসএল ২০২৬, আর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৩ মে।
