ডারউইন টেস্ট জয়কে সর্বকালের সেরা আখ্যা অধিনায়ক শান্তর

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 2 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
ডারউইন টেস্ট জয়কে সর্বকালের সেরা আখ্যা অধিনায়ক শান্তর

ডারউইন টেস্ট জয়কে সর্বকালের সেরা আখ্যা অধিনায়ক শান্তর

ডারউইন টেস্ট জয়কে সর্বকালের সেরা আখ্যা অধিনায়ক শান্তর

শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে তাদেরই মাটিতে টেস্ট ম্যাচে হারিয়ে এক ঐতিহাসিক জয় ছিনিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ দল। ডারউইন টেস্টে অজিদের বিরুদ্ধে অর্জিত এই স্মরণীয় বিজয়কে যেকোনো ফরম্যাটে বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সাফল্য হিসেবে ঘোষণা করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

ঐতিহাসিক এই জয়ের পরপরই আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট ভাষায় ব্যক্ত করেন যে, ক্রিকেট খেলায় বাংলাদেশের যত অর্জন রয়েছে, তার মাঝে এই জয়টি নিঃসন্দেহে এক অনন্য চূড়ায় অবস্থান করছে। ‘হ্যাঁ, আমার মনে হয় এটাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় জয়, যে কোনো ফরম্যাটে বাংলাদেশ ক্রিকেটের। আমরা এটা বিশ্বাস করি এবং সামনের দিনগুলোতে আমরা আরও বিশেষ কিছু করব।’

অনুভূতি প্রকাশের পাশাপাশি পুরো দলের প্রতিশ্রুতবদ্ধ পারফরম্যান্স এবং কঠোর অনুশীলনের ফল যে মাঠে এসেছে, সে বিষয়ে নিজের গর্ব ও তৃপ্তির কথা ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি জানান, ‘আমি খুব খুশি ও নিজের প্রতি গর্বিত। ছেলেরা যেভাবে খেলেছে, তাতে সত্যিই গর্বিত। আমরা অনেক পরিশ্রম করেছি এবং এই দল নিয়ে জিততে পেরে সত্যিই আনন্দিত।’

অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে এই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণ তৈরির পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে বাংলাদেশের পুনর্গঠিত পেস বোলিং ডিপার্টমেন্ট। পূর্বে যেখানে স্পিনকেন্দ্রিক কৌশলে দল ভরসা খুঁজত, সেখানে সাম্প্রতিক সময়ে পেসারদের এমন আধিপত্য ও আগ্রাসী রূপ দলকে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

বোলিং আক্রমণের বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে টাইগার অধিনায়ক অতীতের বাস্তবতার সঙ্গে বর্তমানের ইতিবাচক মানসিকতার এক তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন। টেস্ট ম্যাচের সুযোগ বৃদ্ধি এবং বোলারদের আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছানোর তীব্র ইচ্ছাকেই এই সাফল্যের চাবিকাঠি হিসেবে উল্লেখ করে শান্ত মন্তব্য করেন,

‘হ্যাঁ, আমার মনে হয় এটাই টেস্ট ফরম্যাটে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। সাধারণত পাঁচ-ছয় বছর আগে পেস বোলাররা টেস্ট ক্রিকেট খেলতে চাইত না, কারণ আমরা যথেষ্ট টেস্ট ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতাম না। কিন্তু গত দুই-তিন বছরে আমরা অনেক টেস্ট ম্যাচ খেলেছি এবং ছেলেরা টেস্ট ফরম্যাটে গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই এখন তারা খেলতে চায় এবং পারফর্ম করতে চায়, কারণ তারা বিশ্বমানের হতে চায়। এটাই তাদের মানসিকতা।’

তরুণ খেলোয়াড়দের এমন মানসিক রূপান্তরের নেপথ্যে দলে থাকা অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের অবদানকেও শ্রদ্ধা ও গুরুত্বের সঙ্গে স্মরণ করেন অধিনায়ক। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে টেস্ট ক্রিকেটে নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিয়ে যাওয়া অভিজ্ঞ সতীর্থদের 

‘বিশেষ করে সিনিয়র ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম, মমিনুল হক তারা টেস্ট ক্রিকেট খেলার জন্য অনেক উৎসাহ দিয়েছেন। এগুলোই তাদের ভাবনা ও মানসিকতার পেছনের কারণ।’