স্পিন বোলিং মেশিনে বদলাচ্ছে টাইগারদের অনুশীলনের ধরন

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 4 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
স্পিন বোলিং মেশিনে বদলাচ্ছে টাইগারদের অনুশীলনের ধরন

স্পিন বোলিং মেশিনে বদলাচ্ছে টাইগারদের অনুশীলনের ধরন

স্পিন বোলিং মেশিনে বদলাচ্ছে টাইগারদের অনুশীলনের ধরন

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অনুশীলনে প্রযুক্তির নতুন সংযোজন হিসেবে যুক্ত হলো স্পিন বোলিং মেশিন, যা ব্যাটারদের প্রস্তুতিকে আরও আধুনিক ও বহুমাত্রিক করে তুলবে। আগে যেখানে মূলত পেস বোলিং মেশিনই অনুশীলনের প্রধান ভরসা ছিল, সেখানে এবার স্পিন দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

বিশ্বের পেসবান্ধব কন্ডিশনের দেশ যেমন অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকায় স্পিন বোলিং মেশিনের ব্যবহার তুলনামূলক বেশি। সেখানে ব্যাটাররা স্পিন মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে এই মেশিনের ওপর নির্ভর করেন। অন্যদিকে উপমহাদেশের উইকেট সাধারণত স্পিনবান্ধব হওয়ায় এখানে পেস বোলিং মেশিনই বেশি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে এই ধারা থেকে বেরিয়ে এসে ভিন্নধর্মী উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি।

মঙ্গলবার জাতীয় দলের অনুশীলন ক্যাম্পে প্রথমবারের মতো দেখা যায় এই স্পিন বোলিং মেশিন। বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস এর মূল্য ও ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। স্পিন বোলিং মেশিনটির দাম বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৬ লাখ ২০ হাজার টাকা।

মেশিনটির কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, "এটা দিয়ে অফ স্পিন, লেগ স্পিন এবং স্ট্রেইট বলটা করা যায়। ডানহাতি বোলারের ক্ষেত্রে যদি এটা অফ স্পিন হয়, তাহলে বাঁহাতি বোলারের ক্ষেত্রে এটা চায়নাম্যান হবে। সব ধরণের স্পিনই খেলা যায়। পাশাপাশি সোজা বল, যে বলটা আর্মার বল, সেই বলটাও খেলা যায়। তিন ধরনের বল খেলা যায়। লেংথ বদলানো যায়।"

এছাড়া গতি নিয়ন্ত্রণসহ উন্নত প্রযুক্তির সুবিধার কথাও তুলে ধরেন নাফীস। তিনি বলেন, "বলের পেস। মানে ধরেন কিছু স্পিনার জোরে বোলিং করে, কয়েক জন স্পিনার আস্তে বোলিং করেন। সেই গতিটাও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। পাশাপাশি এটা দুই ভাবেই অপারেট করা যায়। ম্যানুয়ালি করা যায়। আবার কোনো ব্যাটারের কোচ বা সাপোর্টিং হ্যান্ড না থাকে, তাহলে অটোমেটেড উপায়ে একটা টাইমার সেট করা যাবে। সেক্ষেত্রে আপনাআপনি একসঙ্গে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ টা বল ব্যবহার করা যায়।"

নতুন এই প্রযুক্তির সংযোজন জাতীয় দলের অনুশীলনে বৈচিত্র্য আনার পাশাপাশি স্পিন মোকাবিলায় ব্যাটারদের দক্ষতা আরও বাড়াবে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।