২০২৭ বিশ্বকাপে কোহলি-রোহিতের খেলা উচিত, বললেন জহির আব্বাস

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 5 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
২০২৭ বিশ্বকাপে কোহলি-রোহিতের খেলা উচিত, বললেন জহির আব্বাস

২০২৭ বিশ্বকাপে কোহলি-রোহিতের খেলা উচিত, বললেন জহির আব্বাস

২০২৭ বিশ্বকাপে কোহলি-রোহিতের খেলা উচিত, বললেন জহির আব্বাস

ভারতের দুই তারকা ব্যাটার ভিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অনেক কিছু দেওয়ার আছে বলে মনে করেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি ব্যাটার জহির আব্বাস। তার বিশ্বাস, দুজনই আগামী ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে খেলবেন।

পাকিস্তানের একটি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ‘এশিয়ান ব্র্যাডম্যান’ খ্যাত জহির আব্বাস বলেন, বয়স নয়, একজন ক্রিকেটারের ফিটনেস ও পারফরম্যান্সই হওয়া উচিত নির্বাচনের মূল মানদণ্ড।

“দুজনই অসাধারণ দক্ষতার ক্রিকেটার। তাদের অভিজ্ঞতা দলের জন্য অমূল্য। তারা যদি ফিট থাকে এবং নিয়মিত রান করতে পারে, তাহলে বিশ্বকাপ না খেলার কোনো কারণ দেখি না। বয়স এখানে কোনো বিষয় হওয়া উচিত নয়,”

তিনি আরও বলেন, কোহলি ও রোহিতের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটারদের জন্য রান করা অনেকটাই স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলার অভিজ্ঞতা তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

কোহলির ফিটনেসের প্রশংসা করে জহির বলেন, তিনি এখনও দারুণ ফিট। অন্যদিকে রোহিতের ক্ষেত্রে ফিটনেসে আরও কিছুটা মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পাকিস্তানের সাবেক এই ব্যাটার মনে করেন, ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারত তাদের অভিজ্ঞতা থেকে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আসরে কোহলি-রোহিতের উপস্থিতি ভারতের জন্য বড় সম্পদ হতে পারে।

রোহিত শর্মার ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করে জহির বলেন, “ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তার সেঞ্চুরি দেখেছি। এখনও তার ব্যাটিং দেখতে দারুণ লাগে। এত সহজাত ভঙ্গিতে এবং নিখুঁত টাইমিংয়ে সে ব্যাটিং করে।”

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট নিয়েও কথা বলেন জহির। তার মতে, এই ফরম্যাট ব্যাটারদের নতুন নতুন শট খেলতে শিখিয়েছে। তবে সব সংস্করণেই সফল হতে হলে কভার ড্রাইভ ও কাট শটের মতো মৌলিক স্ট্রোক আয়ত্তে রাখা জরুরি।

এ সময় পাকিস্তান ক্রিকেট নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। সমর্থকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে জহির বলেন, টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে বাবর আজমের প্রত্যাবর্তন দলের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।

“বাবর বিশ্বমানের একজন ক্রিকেটার। সে আবার ধারাবাহিকভাবে রান করতে শুরু করলে পুরো দলই আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে। পাকিস্তান ক্রিকেটে আবারও ভালো সময় ফিরবে,”