অস্ট্রেলিয়ায় রান করতে চাইলে ধৈর্যের বিকল্প নেই, টপ অর্ডারকে হান্নানের বার্তা

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 4 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
অস্ট্রেলিয়ায় রান করতে চাইলে ধৈর্যের বিকল্প নেই, টপ অর্ডারকে হান্নানের বার্তা

অস্ট্রেলিয়ায় রান করতে চাইলে ধৈর্যের বিকল্প নেই, টপ অর্ডারকে হান্নানের বার্তা

অস্ট্রেলিয়ায় রান করতে চাইলে ধৈর্যের বিকল্প নেই, টপ অর্ডারকে হান্নানের বার্তা

অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে ব্যাট হাতে সফল হওয়া শুধু টেকনিকের পরীক্ষা নয়, মানসিক দৃঢ়তারও বড় চ্যালেঞ্জ। অতিরিক্ত বাউন্স, সুইং ও সিম মুভমেন্টের কারণে সামান্য ভুলও উইকেট হারানোর কারণ হতে পারে। তাই ডারউইনে ১৩ আগস্ট শুরু হতে যাওয়া দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজকে সামনে রেখে বাংলাদেশের টপ অর্ডার ব্যাটারদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন দেশের সাবেক ওপেনার হান্নান সরকার আক্রমণাত্মক মানসিকতা থাকলেও শট নির্বাচনে থাকতে হবে সর্বোচ্চ সংযম।

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের আগের সফরের অভিজ্ঞতা থেকেই বর্তমান প্রজন্মের ব্যাটারদের সতর্ক করেছেন হান্নান। তার মতে, বিশেষ করে অফ স্টাম্পের বাইরে ড্রাইভ খেলার প্রলোভন সামলাতে পারাটাই হতে পারে বড় ইনিংস গড়ার অন্যতম শর্ত।

তিনি বলেন, ‘ড্রাইভ করার মতো জায়গায় বল পেলে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। এ ধরনের বাউন্সি উইকেটে ড্রাইভ খেলা সবসময়ই কঠিন। এর সঙ্গে বাড়তি বাউন্স ও মুভমেন্টও থাকে।’

২০০৩ সালে বাংলাদেশের সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়া সফরে দলের হয়ে সবচেয়ে সফল ব্যাটার ছিলেন হান্নান। সেই সিরিজে দুটি হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। তবে নিজের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে এখন তিনি মনে করেন, পেসারদের বিপক্ষে নয়, মূলত স্পিনারদের সামলেই বেশি রান তুলতে পেরেছিলেন। পাশাপাশি দ্রুত উইকেট নেওয়ার জন্য পেসাররা কীভাবে ব্যাটারদের ফাঁদে ফেলতে চায়, সেটিও তুলে ধরেছেন তিনি।

হান্নানের ভাষায়, ‘২০০৩ সালে আমি দুটি পঞ্চাশ করেছিলাম। সেগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, স্পিনের বিপক্ষেই আমি সবচেয়ে বেশি রান করেছি। পেসারদের বিপক্ষে খুব বেশি রান করতে পারিনি। পেসাররা ব্যাটারদের কয়েকটি শট খেলতে প্রলুব্ধ করবে।’

হান্নানের এই ভাবনার সঙ্গে মিলে যায় শচীন টেন্ডুলকারের ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় ইনিংসের দর্শনও। ২০০৪ সালে সিডনি টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অপরাজিত ২৪১ রান করার পথে ভারতীয় কিংবদন্তি সচেতনভাবেই অফ স্টাম্পের বাইরের ড্রাইভ এড়িয়ে গিয়েছিলেন। ব্রেট লি, জেসন গিলেস্পি ও নাথান ব্র্যাকেনদের বিপক্ষে ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে তিনি স্লিপ কিংবা গালিতে ক্যাচ দেওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে আনেন। পরে বোলাররা লাইন পরিবর্তন করলে শরীর লক্ষ্য করে করা বল থেকেই রান আদায় করেন।