বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে অভিযুক্ত ৪, আজীবন নিষিদ্ধ ১
-
1
বোকামি করেছি- ড্রিংক ড্রাইভিং ইস্যুতে অনুতপ্ত ওয়ার্নার
-
2
পাকিস্তানকে সামান্য এগিয়ে রাখলেন শান্ত, তবুও আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ
-
3
বিপিএলে দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক ব্যক্তি অভিযুক্ত, সাময়িক নিষেধাজ্ঞা বিসিবির
-
4
বাংলাদেশকে হারানোর প্রতিশোধ নয়, বাস্তবতায় থাকতে চান শান মাসুদ
-
5
বিপিএল আয়োজন নিয়েই শঙ্কা, জোড়াতালি টুর্নামেন্টে রাজি নন তামিম
বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে অভিযুক্ত ৪, আজীবন নিষিদ্ধ ১
বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে অভিযুক্ত ৪, আজীবন নিষিদ্ধ ১
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের স্বাধীন চেয়ারম্যান অ্যালেক্স মার্শালের বিবৃতি অনুযায়ী, বাংলাদেশের ক্রিকেটকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে তদন্ত কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এসেছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, দুর্নীতি দমন বিধিমালার বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের অভিযোগে চারজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং তাদের সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের জবাব দেওয়ার জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। তারা অভিযোগ স্বীকার করে নির্ধারিত শাস্তি মেনে নিতে পারেন অথবা ট্রাইব্যুনাল শুনানির আবেদন করতে পারবেন।
এছাড়া একজনকে “এক্সক্লুডেড পারসন” ঘোষণা করা হয়েছে, যার ফলে তিনি বিশ্বব্যাপী সব ধরনের ক্রিকেট কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ হয়েছেন। তদন্তে দীর্ঘমেয়াদি দুর্নীতির অকাট্য প্রমাণ পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ম্যাচ ফিক্সিং, বিদেশি বুকিদের সঙ্গে ব্যাপক যোগাযোগ ও অর্থ লেনদেন।
২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিট গঠনের পর এটিই প্রথম কোনো তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফল। বর্তমানে আরও কয়েকটি মামলার তদন্ত চলছে এবং আগামী সপ্তাহ ও মাসগুলোতে নতুন অভিযোগ আনার সম্ভাবনাও রয়েছে। স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতেও অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
অ্যালেক্স মার্শাল বলেন, ইন্টেগ্রিটি ইউনিট শুধু খেলোয়াড়দের নয়, বরং ফিক্সিং ও জুয়ার সঙ্গে জড়িত মূল ব্যক্তিদেরও লক্ষ্যবস্তু করছে। তাদের উদ্দেশ্য হলো ক্রিকেটারদের সুরক্ষা দেওয়া এবং দুর্নীতিবাজদের কার্যক্রম ভেঙে দেওয়া। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন একজন দল মালিক, টিম ম্যানেজার, সিনিয়র কো-অর্ডিনেটর ও একজন খেলোয়াড়।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা যেন সৎ ও স্বচ্ছ ক্রিকেট উপভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই ইউনিট নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি দুর্নীতির প্রস্তাব ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা খেলোয়াড় ও সাক্ষীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
মার্শালের ভাষ্য অনুযায়ী, বিসিবি ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের পেশাদারিত্ব, গোপনীয়তা রক্ষা এবং দুর্নীতিবিরোধী কঠোর অবস্থানের কারণে এখন ক্রিকেট অঙ্গনের ভেতর থেকেই আরও বেশি তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
