জাতীয় ক্রিকেটারদের জন্য মিরপুরে নতুন লাউঞ্জ গড়ছে বিসিবি
-
1
পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে ইংল্যান্ডের
-
2
জাতীয় দল ও ফিটনেস সবার আগে, নাহিদ রানাকে নিয়ে বিসিবির কড়া অবস্থান
-
3
অভিষেকের বিধ্বংসী ফিফটিতে আফগানিস্তানকে উড়িয়ে ভারতের সহজ জয়
-
4
পাকিস্তানের ম্যাচের ৫০ শতাংশ ফি কর্তন ও ১১ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্ট জরিমানা
-
5
স্মৃতি-শেফালির জোড়া ফিফটিতে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ভারতের এশিয়া কাপ জয়
জাতীয় ক্রিকেটারদের জন্য মিরপুরে নতুন লাউঞ্জ গড়ছে বিসিবি
জাতীয় ক্রিকেটারদের জন্য মিরপুরে নতুন লাউঞ্জ গড়ছে বিসিবি
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জাতীয় দলের বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটারদের জন্য ‘টাইগার্স ডেন’ নামে বিশেষ একটি ক্রিকেটার্স লাউঞ্জ নির্মাণ করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। লাউঞ্জটির নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে, শিগগিরই এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল নতুন এই লাউঞ্জ ঘুরে দেখান। বিসিবির নতুন কার্যালয়ে তৈরি লাউঞ্জটিতে বাংলাদেশের পুরুষ ও নারী জাতীয় দলের হয়ে অন্তত একটি ম্যাচ খেলেছেন এমন প্রায় ৩৫০ জন ক্রিকেটারের জন্য বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আধুনিক নকশায় নির্মিত এই লাউঞ্জটি বোর্ডের অন্যান্য সাধারণ লাউঞ্জের তুলনায় আরও উন্নত সুবিধাসম্পন্ন।
শুধু লাউঞ্জই নয়, জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের জন্য শেরেবাংলা স্টেডিয়ামেও রাখা হচ্ছে বাড়তি সুবিধা। ভিআইপি গ্যালারির একটি অংশ নির্দিষ্ট সময়ে তাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। পাশাপাশি ৪ নম্বর দক্ষিণ গেট দিয়ে তাদের জন্য আলাদা প্রবেশের ব্যবস্থাও করা হবে।
লাউঞ্জের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে তামিম বলেন, ‘আজ গণমাধ্যমের সঙ্গে ছোট একটি মতবিনিময় সভা ছিল। সেখানে আমি সবাইকে এটি দেখাতে চেয়েছিলাম। আমরা আগেও বলেছিলাম, ক্রিকেটারদের জন্য ‘টাইগার্স ডেন’ নামে একটি লাউঞ্জ তৈরি করেছি। যেখানে বাংলাদেশের পুরুষ ও নারী-জাতীয় দলের হয়ে অন্তত একদিনের জন্যও যারা দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন, তাদের জন্য বসার একটি জায়গা থাকবে। খেলার দিনে তারা এখানে বসে খেলা উপভোগ করতে পারবেন। আবার অন্য যে কোনো দিন অফিস সময়ের মধ্যে এসে সময় কাটাতেও পারবেন। তাদের জন্যই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
এই উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয় দলের বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটারদের সঙ্গে বোর্ডের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান বিসিবি সভাপতি। তিনি বলেন, “আমি আগেও বলেছি, আমাদের বর্তমান ও সাবেক সব ক্রিকেটারকে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে নিজেদের মনে করতে হবে। আর সেই অনুভূতি তৈরি করতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড থেকে যেসব উদ্যোগ নেওয়া দরকার, সেগুলো ধীরে ধীরে নেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ। তবে আমার কাছে মনে হয়েছে, জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের জন্য এমন একটি উদ্যোগ অনেক আগেই নেওয়া উচিত ছিল। অধিনায়কদের জন্য অনেক বছর ধরেই একটি ‘ক্যাপ্টেনস বক্স’ রয়েছে। কিন্তু অন্য ক্রিকেটারদের জন্য তেমন কোনো ব্যবস্থা ছিল না। তাই এটি আমার পক্ষ থেকে একটি ছোট্ট উদ্যোগ “
তবে এখনই লাউঞ্জটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হচ্ছে না। এখনও কিছু কাজ বাকি রয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের স্মারক ও নানা ঐতিহাসিক মুহূর্তও স্থান পাবে।
