স্মৃতি-শেফালির জোড়া ফিফটিতে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ভারতের এশিয়া কাপ জয়
-
1
পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে ইংল্যান্ডের
-
2
জাতীয় দল ও ফিটনেস সবার আগে, নাহিদ রানাকে নিয়ে বিসিবির কড়া অবস্থান
-
3
অভিষেকের বিধ্বংসী ফিফটিতে আফগানিস্তানকে উড়িয়ে ভারতের সহজ জয়
-
4
স্মৃতি-শেফালির জোড়া ফিফটিতে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ভারতের এশিয়া কাপ জয়
-
5
পাকিস্তানের ম্যাচের ৫০ শতাংশ ফি কর্তন ও ১১ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্ট জরিমানা
স্মৃতি-শেফালির জোড়া ফিফটিতে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ভারতের এশিয়া কাপ জয়
স্মৃতি-শেফালির জোড়া ফিফটিতে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ভারতের এশিয়া কাপ জয়
দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত নারী এশিয়া কাপের মেগা ফাইনালে শ্রীলঙ্কা নারী দলকে ৭২ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ৮ম বারের মতো চ্যাম্পিয়ন শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছে ভারত নারী দল। ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মার বিধ্বংসী জোড়া ফিফটির পর শ্রী চারানি ও দীপ্তি শর্মার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ওপর ভর করে এই একপেশে জয় তুলে নেয় ভারতীয় নারীরা।
টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর। সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করে উদ্বোধনী জুটিতেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা। এই দুই ব্যাটার ১২.৩ ওভারে ১২৯ রানের বিশাল জুটি গড়ে তোলেন।
শেফালি ভার্মা ৩৯ বলে ৯টি চার ও ২ চক্কায় ৬৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। সমান ৩৯ বল থেকে ৫টি চার ও ৩ ছক্কায় ৫৯ রান করেন স্মৃতি মান্ধানা। শেষ দিকে গুনালা কামালিনির ৫ বলে অপরাজিত ১৫ রানের ক্যামিওতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৩ রানের পাহাড় গড়ে ভারত।
১৮৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে লঙ্কান অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু ও বিশমি গুনারত্নে দ্বিতীয় উইকেটে ৫৮ রান যোগ করে প্রতিহত করার চেষ্টা চালান। তবে আতাপাত্তু ৩৬ এবং গুনারত্নে ২০ রানে বিদায় নেওয়ার পর লঙ্কান মিডল অর্ডার তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। শ্রী চারানি ও দীপ্তি শর্মার স্পিন ঘূর্ণিতে কাবু হয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে লঙ্কানরা।
শ্রী চারানি ৪ ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে ৪টি উইকেট শিকার করেন। তাকে দারুণ সঙ্গ দেওয়া দীপ্তি শর্মা ১৯ রানে নেন ৩টি উইকেট। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার খেলে ১১১ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা নারী দলের ইনিংস।
অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ৩৯ বলে ৬৮ রান এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় (প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ) নির্বাচিত হন শেফালি ভার্মা।
