শান্তর সেঞ্চুরিতে দাপুটে বাংলাদেশ, মুমিনুলের আক্ষেপের দিনেও ৩০১ রান সংগ্রহ
-
1
ইংল্যান্ড টেস্ট দলের পরবর্তী প্রধান কোচ হচ্ছেন স্টিফেন ফ্লেমিং
-
2
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন আজিঙ্কা রাহানে
-
3
সাংবাদিকদেরই প্রশ্ন করলেন শান্ত, তারপর জানালেন অস্ট্রেলিয়া সফরের লক্ষ্য
-
4
অলরাউন্ড সাকিব ও হৃদয়ের কার্যকর ইনিংসে ক্যান্ডির বিরুদ্ধে জাফনার জয়
-
5
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১২ ভেন্যু চূড়ান্ত, ফাইনাল হতে পারে জোহানেসবার্গ বা কেপটাউনে
শান্তর সেঞ্চুরিতে দাপুটে বাংলাদেশ, মুমিনুলের আক্ষেপের দিনেও ৩০১ রান সংগ্রহ
শান্তর সেঞ্চুরিতে দাপুটে বাংলাদেশ, মুমিনুলের আক্ষেপের দিনেও ৩০১ রান সংগ্রহ
শুরুর ধাক্কা সামলে দারুণ প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখলো বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের উদ্বোধনী দিনে ব্যাট হাতে নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে বড় সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে তুলেছেন স্বাগতিক ব্যাটাররা। দিনের খেলা শেষে ৮৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩০১ রান। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি এবং মুমিনুল হকের দায়িত্বশীল ইনিংসেই শক্ত অবস্থানে দিন শেষ করেছে টাইগাররা।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৮ রানের মধ্যে ফিরে যান মাহমুদুল হাসান জয়। ৮ রান করা এই ওপেনারকে ফেরার পথ দেখান পাকিস্তানি বোলাররা। এরপর ৩১ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় স্বাগতিকরা, বিদায় নেন সাদমান ইসলামও। তিনি করেন ১৩ রান। দুই ওপেনার দ্রুত সাজঘরে ফিরলে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ।
সেই পরিস্থিতি থেকে ইনিংস গড়ে তোলেন দুই বাঁহাতি ব্যাটার শান্ত ও মুমিনুল। ধৈর্য আর আক্রমণের মিশেলে তারা গড়ে তোলেন ১৭০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। একদিকে মুমিনুল ছিলেন স্থির, অন্যদিকে অধিনায়ক শান্ত খেলেছেন আত্মবিশ্বাসী ও ইতিবাচক ক্রিকেট। পাকিস্তানি বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করে ১৩০ বলেই তুলে নেন নিজের নবম টেস্ট সেঞ্চুরি। ১০১ রানের ইনিংসে ছিল ১২টি চার ও ২টি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত মোহাম্মদ আব্বাসের বলে এলবিডব্লিউ হওয়ার আগে দলকে ২০০ রানের গণ্ডি পার করিয়ে যান তিনি।
অন্য প্রান্তে মুমিনুল হকও এগোচ্ছিলেন শতকের দিকে। দীর্ঘ সময় উইকেটে থেকে ইনিংসকে স্থিতি দেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। তবে তিন অঙ্ক ছোঁয়ার আগেই থেমে যায় তার ইনিংস। ২০০ বল মোকাবিলা করে ৯১ রান করা মুমিনুল নোমান আলীর বলে এলবিডব্লিউ হন। ইনিংসজুড়ে তিনি মারেন ১০টি চার। বাংলাদেশের হয়ে সর্বাধিক ১৩ টেস্ট সেঞ্চুরির মালিক এই ব্যাটার ক্যারিয়ারে প্রথমবার নব্বইয়ের ঘরে আউট হওয়ার হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়েন।
দিনের শেষ ভাগে আর কোনো বিপদ ঘটতে দেননি মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। অভিজ্ঞ মুশফিক ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে ১০৪ বল খেলে ৪৮ রানে অপরাজিত আছেন। অন্যদিকে লিটন দাস ৩৫ বল মোকাবিলা করে ৮ রান নিয়ে দিনের খেলা শেষ করেন। দ্বিতীয় দিনের শুরুতে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে সংগ্রহ আরও বড় করা।
