হৃদয়ের প্রথম ফিফটি, জাকেরের ব্যাটেও রান এল সাগরিকায়
-
1
পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে ইংল্যান্ডের
-
2
জাতীয় দল ও ফিটনেস সবার আগে, নাহিদ রানাকে নিয়ে বিসিবির কড়া অবস্থান
-
3
অভিষেকের বিধ্বংসী ফিফটিতে আফগানিস্তানকে উড়িয়ে ভারতের সহজ জয়
-
4
পাকিস্তানের ম্যাচের ৫০ শতাংশ ফি কর্তন ও ১১ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্ট জরিমানা
-
5
স্মৃতি-শেফালির জোড়া ফিফটিতে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ভারতের এশিয়া কাপ জয়
হৃদয়ের প্রথম ফিফটি, জাকেরের ব্যাটেও রান এল সাগরিকায়
হৃদয়ের প্রথম ফিফটি, জাকেরের ব্যাটেও রান এল সাগরিকায়
প্রথম ম্যাচে তানজিদ হাসান তামিমের ইনিংস ছাড়া জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চলমান সিরিজে বাংলাদেশের টপ অর্ডারে বলার মত রান নেই। প্রথম ও দ্বিতীয় ম্যাচে তাওহীদ হৃদয় অপরাজিত ইনিংস (৩৩* ও ৩৭*) খেলে সে অভাব বুঝতে দেননি। তৃতীয় ম্যাচেও একই চিত্র।
লিটন দাস ও তানজিদ হাসান তামিম টি-টোয়েন্টি মেজাজে খেলতে পারেননি, উইকেটে এসে বেশিক্ষণ টেকেননি অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এরপর জাকের আলি অনিককে নিয়ে বড় জুটি গড়ে বাংলাদেশকে লড়াই করার পুজি দেন তাওহীদ হৃদয়।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম দুই ম্যাচে পরে ব্যাটিং করা বাংলাদেশ আজ টসে হেরে আগে ব্যাটিং করতে নামে। দুই দলের একাদশেই আসে দুইটি করে পরিবর্তন।
ওয়েলিংটন মাসাকাদজা একাদশে ফিরেছেন, বাদ পড়েছেন অ্যান্সলে লোভু। রিচার্ড এনগারাভা বাদ পড়েছেন, একাদশে সুযোগ পেয়েছেন ফারাজ আকরাম।
বাংলাদেশের একাদশে দুই পরিবর্তন এসেছে। বিশ্রাম পেয়েছেন শরিফুল ইসলাম ও শেখ মেহেদী হাসান। একাদশে জায়গা পেয়েছেন তানজিম হাসান সাকিব ও তানভীর ইসলাম।
লিটন দাস ও তানজিদ হাসান তামিমের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ২২ রান। ১৫ বলে ২ চারে ১২ রান করে আউট হন লিটন দাস। স্ট্রাইক রেট ১০০ ছুঁতে পারেননি তানজিদ হাসান তামিম। ২২ বলে ১ টি করে চার ও ছক্কায় ২১ রান করেন তিনি।
দুই ওপেনারের আউট হবার মাঝে নাজমুল হোসেন শান্ত ফেরেন ৪ বলে ৬ রান করে। সিকান্দার রাজার বলে বোল্ড হন তিনি।
৬০ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ৪র্থ উইকেটে ৮৭ রান যোগ করেন তাওহীদ হৃদয় ও জাকের আলি অনিক। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবার ফিফটি করে হৃদয় থামেন ৫৭ রান করে। ৩৮ বল স্থায়ী ইনিংসে হাঁকান ৩ চার ও ২ ছক্কা।
সমান সংখ্যক বাউন্ডারিতে ৩৪ বলে ৪৪ রান করে আউট হন জাকের আলি অনিক। একই ওভারে দুই ব্যাটারকে ফেরান ব্লেসিং মুজারাবানি। জিম্বাবুয়ের সফলতম বোলার তিনিই। ৪ ওভারে ১৪ রান খরচে ৩ উইকেট নেন তিনি। ১ টি করে উইকেট নেন ফারাজ আকরাম ও সিকান্দার রাজা।
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৪ বলে ৯ ও রিশাদ হোসেন ৪ বলে ৬ রান করে অপরাজিত থাকলে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৬৫ রান করে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
