বৃষ্টি ও বজ্রপাতের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে সান্ত্বনার জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের
৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম
প্রকাশ: 2 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে-
1
বিশ্বকাপের আম্পায়ার তালিকায় বাংলাদেশ থেকে আছেন যারা
-
2
লর্ডসের এমসিসি লাইব্রেরিতে যুক্ত হলো বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের স্মারক প্রকাশনা
-
3
মুহাম্মদ ওয়াসীমের নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত
-
4
অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপ শুরু ফেব্রুয়ারিতে
-
5
বিসিবি সভাপতির বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি ভিত্তিহীন, অপপ্রচারে আইনি পথে বোর্ড
বৃষ্টি ও বজ্রপাতের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে সান্ত্বনার জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের
বৃষ্টি ও বজ্রপাতের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে সান্ত্বনার জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের
অধিনায়ক শাই হোপ ও শিমরন হেটমায়ারের সমান ৪৮ রানের ইনিংসে ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ছয় রানের ডিএলএস (DLS) জয় পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শনিবার জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি–টোয়েন্টিতে বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত ম্যাচে এই জয় আসে।
বজ্রপাতের কারণে ম্যাচ শুরু হতে ৭৫ মিনিট দেরি হয়। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১০ ওভারে ৩ উইকেটে তোলে ১১৪ রান। পাওয়ারপ্লের ছয় ওভার শেষে স্কোর ছিল ৬৬/১, ঠিক তখনই ফের বজ্রপাত শুরু হলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়।
বিরতির সময় শাই হোপ ১৯ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত ছিলেন, যেখানে ছিল তিনটি চার ও তিনটি ছক্কা। তার সঙ্গে হেটমায়ার ১৪ বলে ২৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। পুনরায় খেলা শুরু হলে ক্যারিবীয়রা পায় মাত্র চার ওভার ব্যাট করার সুযোগ।
ফের শুরুতেই হোপ কেশব মহারাজকে একটি ছক্কা মারলেও পরের বলেই লং অফে করবিন বোশের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। হেটমায়ার মহারাজকে আরও দুইটি ছক্কা হাঁকান, ফলে এই স্পিনারের বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড়ায় ২ ওভারে ৩৮ রান, কোনো উইকেট ছাড়াই। আইডেন মার্করাম ও মহারাজ দুই স্পিনারই বিরতির আগে এক ওভার করে বল করে ১৮ রান করে দেন।
রোভম্যান পাওয়েল ৭ বলে ১৩ রান করেন, যেখানে ছিল দুটি ছক্কা। শেষ দিকে করবিন বোশ টানা দুই ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে মাত্র ১০ রান দেন। তবে শেষ ওভারে হেটমায়ার একটি ফুলটস বল স্কয়ার লেগ দিয়ে ছক্কায় পরিণত করেন। শেষ পর্যন্ত হেটমায়ার ২২ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন, ইনিংসে ছিল একটি চার ও ছয়টি ছক্কা।
এর আগে ওপেনার জনসন চার্লসই ছিলেন বিরতির আগে একমাত্র আউট হওয়া ব্যাটার। তিনি লুঙ্গি এনগিডির বলে শর্ট এক্সট্রা কাভারে জেসন স্মিথের হাতে ক্যাচ দেন।
ডিএলএস পদ্ধতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২৫ রান। কুইন্টন ডি কক ঝড়ো সূচনা এনে দেন জেসন হোল্ডারের প্রথম ওভার থেকেই আসে ১৯ রান। তবে আকিল হোসেনের আঁটসাঁট এক ওভারে মাত্র ৪ রান দিয়ে ম্যাচে ফেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
ডি কক ১৪ বলে ২৮ রান করে গুদাকেশ মোটির বলে লং অনে ক্যাচ দিয়ে ফিরলে দক্ষিণ আফ্রিকার গতি কমে যায়। মোটি ২ ওভারে ১৭ রানে ৩ উইকেট নেন। রায়ান রিকেলটন ও ডিওয়াল্ড ব্রেভিস দ্রুত ফিরলে চাপ বাড়ে স্বাগতিকদের ওপর।
ব্রেভিসের উইকেটটি ছিল ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। প্রথমে সহজ ক্যাচ ফেললেও পরে রোমারিও শেফার্ড বাউন্ডারিতে অসাধারণ দক্ষতায় ক্যাচ নিয়ে হোল্ডারের হাতে বল ছুড়ে দেন।
শেষদিকে জেসন স্মিথ ও জর্জ লিন্ডে কিছুটা আশা জাগালেও শেষ ওভারে ১৬ রানের প্রয়োজন থাকতেই শামার জোসেফ দুর্দান্ত ইয়র্কারে স্মিথকে বোল্ড করেন। শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে ছয় রানের নাটকীয় জয় পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
