রুদ্ধশ্বাস ফিনিশ, সোহানের ব্যাটে দুই উইকেটের নাটকীয় জয় দুর্বারের
৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম
প্রকাশ: 2 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে-
1
সরাসরি চুক্তিতে মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে নিল লাহোর কালান্দার্স
-
2
অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে পৃষ্ঠপোষক রিমার্ক
-
3
বাংলাদেশের দর্শকরা যেভাবে দেখতে পারবেন টি-টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
-
4
লিটন সাইফের ব্যাটে উড়ে গেল দুরন্ত, অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপে জয় দিয়ে শুরু ধুমকেতুর
-
5
বিশ্বকাপের আগে দাপুটে প্রস্তুতি ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাল ভারত
রুদ্ধশ্বাস ফিনিশ, সোহানের ব্যাটে দুই উইকেটের নাটকীয় জয় দুর্বারের
রুদ্ধশ্বাস ফিনিশ, সোহানের ব্যাটে দুই উইকেটের নাটকীয় জয় দুর্বারের
শেষ ওভারের আগেই ম্যাচের ভাগ্য একাধিকবার বদলে গেছে, কিন্তু শেষ হাসিটা ঠিকই ফুটেছে দুর্বারের মুখে। যখন জয় আর পরাজয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ছিল একটি মাত্র শট, তখন অভিজ্ঞতার জোরে দলকে টেনে তোলেন নুরুল হাসান সোহান। শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে অদম্য বাংলাদেশ টি–টোয়েন্টি কাপের দ্বিতীয় ম্যাচটি তাই শেষ পর্যন্ত রূপ নেয় রুদ্ধশ্বাস এক নাটকে।
শুক্রবারের এই ম্যাচে ধূমকেতু একাদশকে দুই উইকেটে হারায় দুর্বার একাদশ। আগে ব্যাট করে ধূমকেতু নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে তোলে ১৫৬ রান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে চাপে থাকা দুর্বার শেষ পর্যন্ত ৩ বল হাতে রেখেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।
১৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে এক সময় পুরোপুরি কোণঠাসা হয়ে পড়ে দুর্বার। ১৪ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে মাত্র ৮১ রান। তখন মনে হচ্ছিল ম্যাচ বুঝি ধূমকেতুর হাতছাড়া হবে না। ঠিক এই সংকটময় মুহূর্তে দায়িত্ব নেন সোহান। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে সপ্তম উইকেটে ৪১ রানের জুটি গড়ে ম্যাচে ফেরান দলকে।
সাইফউদ্দিন ১৩ বলে ১৯ রান করে আউট হলে আবার কঠিন হয়ে পড়ে সমীকরণ। কিন্তু তখনই নিজের অভিজ্ঞতা আর শক্তির প্রমাণ দেন সোহান। ১৯তম ওভারে শরিফুল ইসলামের এক ওভারেই চারটি ছক্কায় ২৬ রান তুলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি। ১২ বলে যেখানে প্রয়োজন ছিল ৩৩ রান, সেখানে এক ওভারের ঝড়ে তা নেমে আসে ৭ বলে ৭ রানে।
শেষ ওভারে নাটক আরও ঘনীভূত হয়। দ্বিতীয় বলেই রানআউট হয়ে ফিরে যান সোহান, তখনও দরকার ছিল ৪ রান। হঠাৎ করেই অনিশ্চয়তা ভর করে মাঠজুড়ে। তবে চাপ সামলে নেন হাসান মাহমুদ। তৃতীয় বলে মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধর বলে দৃষ্টিনন্দন ড্রাইভে চার মেরে তিন বল হাতে রেখেই নিশ্চিত করেন দুর্বারের জয়।
এর আগে ধূমকেতুর হয়ে ব্যাট হাতে দায়িত্বশীল ছিলেন অধিনায়ক লিটন দাস, যিনি ৩৭ বলে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন। মেহেদী হাসান অপরাজিত থাকেন ৩১ রানে। বোলিংয়ে ধূমকেতুর হয়ে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন শেখ মেহেদী হাসান মাত্র ১১ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়ে ম্যাচে বড় প্রভাব রাখেন এই অফস্পিনার। হারের পরও ভালো নেট রানরেটের কারণে ধূমকেতু পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে।
