বাংলাদেশের মুখোমুখি হওয়ার আগে অজি পেসারের নতুন কৌশল
-
1
তাওহীদ হৃদয়ের ঝড়ো ফিফটিতে জয় পেল জাফনা কিংস
-
2
সাজিদের ঘূর্ণিতে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, সিরিজ সমতায় পাকিস্তান থেকে মাত্র ৬০ রানের দূরত্বে
-
3
বৃষ্টিতে ভেসে গেল ম্যাচ, ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার আশা শেষ আয়ারল্যান্ডের
-
4
দক্ষিণ আফ্রিকা সফর অনিশ্চিত নেসারের, বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজেও নেই
-
5
অনুমোদনহীন লিগে খেলায় সাবেক ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে পিসিবি, দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি
বাংলাদেশের মুখোমুখি হওয়ার আগে অজি পেসারের নতুন কৌশল
বাংলাদেশের মুখোমুখি হওয়ার আগে অজি পেসারের নতুন কৌশল
দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর কোনো আন্তর্জাতিক টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের অপেক্ষায় থাকা অস্ট্রেলিয়ার উত্তর সীমানার শহর ডারউইন এখন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রবিন্দু। তবে স্বাগতিকদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো মাঠের চার দেয়াল এবং প্রতিপক্ষ দল বাংলাদেশ, দু’টিই তাদের কাছে বেশ অস্পষ্ট। এই অজানা সমীকরণের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে অপরাজেয় মানসিকতার অজি গতিদানব জশ হ্যাজলউড অবশ্য কোনো ভীতি দেখছেন না; বরং অচেনা কন্ডিশনে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়ে খেলার সুযোগটিকেই ক্যারিয়ারের নতুন এক রোমাঞ্চ হিসেবে গ্রহণ করছেন তিনি।
আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। দুই ম্যাচের এই সংক্ষিপ্ত সিরিজকে ঘিরে অস্ট্রেলীয় শিবিরে এক বিশেষ মনস্তাত্ত্বিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। টেস্ট আঙিনায় টাইগারদের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা অজিদের জন্য খুবই বিরল, আর এর সঙ্গে যোগ হয়েছে দীর্ঘ ২২ বছর পর ডারউইনে সাদা পোশাকের ক্রিকেট ফিরে আসার বাস্তবতা। ফলে প্রচলিত প্রস্তুতির বাইরে এসে পুরোপুরি নতুনভাবে ছক সাজাতে হচ্ছে স্বাগতিক শিবিরকে।
৩৪ বছর বয়সী অস্ট্রেলীয় পেস তারকা জশ হ্যাজলউডের ১৫ বছরের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থাকলেও বাংলাদেশের বিপক্ষে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ বিপরীত। ২০১৭ সালে লাল বলের লড়াইয়ে দলের বাইরে থাকা হ্যাজলউড গত জুনে অস্ট্রেলিয়ার সর্বশেষ বাংলাদেশ সফর থেকেও অনুপস্থিত ছিলেন। এর ফলে দেড় যুগের আন্তর্জাতিক যাত্রায় টাইগারদের বিপক্ষে মাত্র ৯টি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছেন তিনি, যার কারণে বাংলাদেশের বর্তমান ব্যাটিং লাইনআপের বিরুদ্ধে কোনো বড় ধরনের তথ্যভাণ্ডার তার হাতে নেই।
প্রতিপক্ষের সাম্প্রতিক ভিডিও বিশ্লেষণ করে কিছু কৌশল বের করা গেলেও, ম্যাচের গতিপ্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিকল্প দেখছেন না এই অজি পেসার। মাঠে নেমেই কন্ডিশন বুঝে নেওয়া এবং প্রতিপক্ষের ভুল ধরে মুহূর্তের মধ্যে পরিবর্তন আনার সুযোগটি তার কাছে বেশ আকর্ষণীয় মনে হচ্ছে। ডারউইনের অচেনা পরিবেশ ও বাংলাদেশের ব্যাটারদের মুখোমুখি হওয়ার বাস্তবতায় নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে হ্যাজলউড বলেন, ‘শুরুতে অনেক কিছুই অজানা থাকবে। মাঠ অজানা, বিশেষ করে উইকেট অজানা, আর এই কন্ডিশনে প্রতিপক্ষও আমাদের কাছে কিছুটা অচেনা। তবে আমার মনে হয়, বিষয়টি রোমাঞ্চকর। এই ব্যাটারদের বিপক্ষে কিছু ভিডিও আছে, কিছু প্রবণতাও খুঁজে বের করা সম্ভব। তবে মাঠে পরিস্থিতি বুঝে তখনই পরিকল্পনা তৈরি করতে হতে পারে। আর এটাই সব সময় সতেজ অনুভূতি দেয়।’
পেসারদের বাউন্স ও সুইং নির্ভরতার অতিরিক্ত আশা না করার পরামর্শ দিয়ে এবং উইকেট বাংলাদেশের চেনা পরিবেশের মতো হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়ে রিচার্ডসন বলেন, ‘আমি মনে করি না, এটি এমন কোনো আদর্শ অস্ট্রেলিয়ান টেস্ট উইকেট হবে, যেখানে পেসাররা সিম মুভমেন্ট, সুইং ও বাউন্স থেকে দারুণ সুবিধা পাবে। বরং নিচু বাউন্সের কারণে কন্ডিশনটা বাংলাদেশের মতো হতে পারে।’
