ক্যাচ ফেলার ভুলেই ফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ, বললেন কোচ ফিল সিমন্স
৯৭ প্রতিবেদক: মোহাম্মদ আফজল
প্রকাশ: 4 মাস আগে আপডেট: 5 ঘন্টা আগে-
1
বিশ্বকাপের আম্পায়ার তালিকায় বাংলাদেশ থেকে আছেন যারা
-
2
লর্ডসের এমসিসি লাইব্রেরিতে যুক্ত হলো বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের স্মারক প্রকাশনা
-
3
মুহাম্মদ ওয়াসীমের নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত
-
4
বিসিবি সভাপতির বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি ভিত্তিহীন, অপপ্রচারে আইনি পথে বোর্ড
-
5
হ্যারি ব্রুক স্বীকার করলেন, ওয়েলিংটনে নাইটক্লাব ঘটনায় ছিলেন অন্য ইংল্যান্ড খেলোয়াড়রাও
ক্যাচ ফেলার ভুলেই ফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ, বললেন কোচ ফিল সিমন্স
ক্যাচ ফেলার ভুলেই ফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ, বললেন কোচ ফিল সিমন্স
এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠার হাতছানি ছিল বাংলাদেশ দলের সামনে। লক্ষ্য ছিল মাত্র ১৩৬ রান। তুলনামূলক সহজ এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও শেষ পর্যন্ত ১২৪ রানেই থেমে যায় দল। ১১ রানের ব্যবধানে পাকিস্তানের কাছে হারের পর ম্যাচ ঘুরে যাওয়ার জায়গাটি স্পষ্ট করে তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স।
পাকিস্তান ইনিংসের ১২তম ওভারে দুইবার জীবন পান শাহিন শাহ আফ্রিদি। তার ক্যাচ ফেলার দায় পড়ে সোহান ও শেখ মাহেদী হাসানের কাঁধে। তখন পাকিস্তান ৫০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে সংকটে ছিল। সেই সময়ের ভুল কাজে লাগিয়ে শাহিন আফ্রিদি খেলেন ১৩ বলে ১৯ রানের ইনিংস, যার মধ্যে ছিল দুটি ছক্কা।
একইভাবে মোহাম্মদ নওয়াজকেও শূন্য রানে জীবন উপহার দেন পারভেজ হোসেন ইমন। আফ্রিদির বিদায়ের পর ক্রিজে এসে প্রথমদিকেই বল তুলে দেন আকাশে, কিন্তু সহজ ক্যাচটি নিতে পারেননি পারভেজ। পরে সেই নওয়াজ ১৫ বলে ২৫ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন, যাতে ছিল দুটি ছক্কা ও একটি চার।
এই দুটি ইনিংসই পাকিস্তানকে ১৩৫ রানের সংগ্রহে দাঁড় করাতে বড় ভূমিকা রেখেছে, যা শেষ পর্যন্ত জয় এনে দিতে যথেষ্ট হয়।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ফিল সিমন্স বলেন,“যখন আমরা শাহিন আফ্রিদি এবং মোহাম্মদ নওয়াজের ক্যাচ ফেলেছি, সেখান থেকেই ম্যাচের গতি বদলে গেছে। এর আগে আমরা পুরোপুরি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে ছিলাম।”
তিনি আরও বলেন,“কিছু ক্যাচ হয়তো আলোয় কঠিন হয়ে পড়ে, কিন্তু যেগুলো আমরা ফেলেছি, সেগুলো আলো বা পরিবেশের জন্য হয়নি।”
বাংলাদেশ দলের ফিল্ডিং ত্রুটিই যে ম্যাচের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রেখেছে, তা অকপটে মেনে নিয়েছেন কোচ। আন্তর্জাতিক মানে এই ভুল অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মনে টাইগার প্রধান কোচ। বাংলাদেশের এই কোচের মতে, “এই ধরনের ভুল আমরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খুব বেশি করতে চাই না। তবে সব দলেই কখনো কখনো এমন ঘটনা ঘটে থাকে।”
