কার্তিকের চোখে ব্রুক, ব্রুকের ভরসা বাটলার
৯৭ প্রতিবেদক: মোহাম্মদ আফজল
প্রকাশ: 5 ঘন্টা আগে আপডেট: 8 সেকেন্ড আগে-
1
সম্মান ফেরত চাই, প্রমাণ দেখাতে চ্যালেঞ্জ এনামুল হক বিজয়ের
-
2
সেমিফাইনালের ম্যাচ অফিসিয়াল ঘোষণা, নেই কোনো বাংলাদেশি
-
3
আমিরের বিশ্লেষণে ভারতের সেমি এবং পাকিস্তানি ক্রিকেটে জরিমানা বিতর্ক
-
4
হৃদয়ের ৯৮ বৃথা, নাইম-সাইফের ব্যাটে ৫ উইকেটে চ্যাম্পিয়ন সেন্ট্রাল জোন
-
5
সৌরভ থেকে হাফিজ, পাক-ভারত উত্তাপের মাঝেও স্যামসনে মুগ্ধ দুই দেশ
কার্তিকের চোখে ব্রুক, ব্রুকের ভরসা বাটলার
কার্তিকের চোখে ব্রুক, ব্রুকের ভরসা বাটলার
সেমিফাইনালের আগে ইংল্যান্ড শিবিরকে ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দুই ব্যাটসম্যান। একজনকে ভারতের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি মনে করছেন দিনেশ কার্তিক, আর অন্যজনের দিকে তাকিয়ে আছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক নিজেই। দুই ভিন্ন কণ্ঠে উচ্চারিত এই আস্থা আসলে বড় ম্যাচের মানসিক লড়াইয়েরই প্রতিফলন।
ভারতের সাবেক কিপার ব্যাটসম্যান দিনেশ কার্তিক সোজাসাপ্টা বলছেন, এখন ভারতের জন্য সবচেয়ে বড় উইকেট হ্যারি ব্রুক। তার ভাষায়, “আমার মতে, এখন ভারতের জন্য আরও বড় উইকেট হ্যারি ব্রুক। তার জন্য আমি বুমরাহকে রেখে দেব। বুমরাহ ও ভারুন চক্রবর্তি একযোগে বোলিং করবে, ব্রুককে থামাতে যা ভালো ম্যাচ আপ। তাকে দ্রুত ফেরাতে হবে।”
কার্তিকের এই মন্তব্যে স্পষ্ট, তিনি ব্রুককে কেবল ভালো ফর্মে থাকা ব্যাটসম্যান হিসেবে দেখছেন না, বরং ম্যাচের গতি বদলে দেওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচনা করছেন। বিশেষ করে পাকিস্তানের বিপক্ষে তার সেঞ্চুরি এবং চাপের মুখে পাল্টা আক্রমণাত্মক ব্যাটিং তাকে ভারতের কৌশলগত পরিকল্পনার কেন্দ্রে এনে দিয়েছে।
অন্যদিকে ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক আস্থা রাখছেন তার অধিনায়ক জস বাটলারের ওপর। টানা ব্যর্থতার পরও সতীর্থকে আড়াল না করে বরং সামনে দাঁড়িয়েই সমর্থন দিয়েছেন তিনি। ব্রুকের কথায়, “আমার মনে হয়, জসকে একা ছেড়ে দেওয়া উচিত, তার মতো থাকতে দেওয়া উচিত। এই খেলাটায় সর্বকালের সেরাদের একজন সে এবং আমি দেখতে পাচ্ছি, সে ভালো করতে যাচ্ছে।”
এই দুটি বক্তব্য পাশাপাশি রাখলে স্পষ্ট হয় এক মজার সমীকরণ। ভারতের দৃষ্টিতে হুমকি ব্রুক। ইংল্যান্ডের ভরসা বাটলার। অর্থাৎ দুই দলই জানে, সেমিফাইনালের মতো ম্যাচে একজন ব্যাটসম্যানই পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন।
ভারতের পরিকল্পনা হতে পারে ব্রুককে দ্রুত ফেরানো। কারণ মিডল অর্ডারে নেমে তিনি ইনিংস গড়ে তুলতেও পারেন, আবার ম্যাচ কেড়ে নেওয়ার মতো গতি আনতেও পারেন। আবার ইংল্যান্ডের আশা, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও বড় ম্যাচের মানসিক দৃঢ়তা দিয়ে বাটলার ফিরবেন নিজের চেনা ছন্দে।
সেমিফাইনাল তাই কেবল দুই দলের লড়াই নয়। এটি আস্থা বনাম পরিকল্পনারও লড়াই। কার্তিক যাকে দেখছেন হুমকি হিসেবে, তিনি নিজে তাকিয়ে আছেন আরেকজনের সম্ভাব্য জ্বলে ওঠার অপেক্ষায়। শেষ পর্যন্ত কার বিশ্বাস সত্যি হবে, সেটাই এখন দেখার। ক্রিকেটের বড় মঞ্চে অনেক সময় এক ইনিংসই লিখে দেয় পুরো গল্প।
