ম্যাচসেরা সাকিব কৃতিত্ব দিলেন বোলারদের, রান পেয়ে নিজেও খুশি
-
1
পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে ইংল্যান্ডের
-
2
জাতীয় দল ও ফিটনেস সবার আগে, নাহিদ রানাকে নিয়ে বিসিবির কড়া অবস্থান
-
3
অভিষেকের বিধ্বংসী ফিফটিতে আফগানিস্তানকে উড়িয়ে ভারতের সহজ জয়
-
4
পাকিস্তানের ম্যাচের ৫০ শতাংশ ফি কর্তন ও ১১ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্ট জরিমানা
-
5
স্মৃতি-শেফালির জোড়া ফিফটিতে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ভারতের এশিয়া কাপ জয়
ম্যাচসেরা সাকিব কৃতিত্ব দিলেন বোলারদের, রান পেয়ে নিজেও খুশি
ম্যাচসেরা সাকিব কৃতিত্ব দিলেন বোলারদের, রান পেয়ে নিজেও খুশি
ইনিংসের চতুর্থ ওভারে ক্রিজে আসেন সাকিব আল হাসান। ৪৬ বলে ৯ চারে ৬৪ রান করে দলকে জিতিয়ে তবেই ছাড়েন মাঠ। বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে ব্যর্থ সাকিবকে নিয়ে শুরু হয়েছিলো সমালোচনা, কেউ কেউ বলেছিলেন সময় এসেছে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে তার সরে দাড়ানোর। ম্যাচসেরা হয়ে সেই সমালোচকদের চুপ করিয়ে দিয়েছেন সাকিব।
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২৫ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। টাইগাররা আগে ব্যাট করে সংগ্রহ করেন ১৫৯ রান। ৬৪ রানে সাকিব রাখেন তাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। ম্যাচসেরা হয়ে নিজের পারফরম্যান্স সম্পর্কে সাকিব বলেন,
‘টপে থাকা চার ব্যাটারের কাউকে পুরো ইনিংস জুড়ে ব্যাটিং করা ছিল ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাট হাতে যেভাবে অবদান রাখলাম, তাতে আমি খুশি। ইনিংসের শুরুতে উইকেট সহজ ছিল না। আমরা আমাদের স্নায়ু ধরে রেখে সন্তোষজনক সংগ্রহ করলাম। আমি বলবো না এই সংগ্রহ জেতার মতো। তবে এটা চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ ছিল।’
ডাচদের বড় টার্গেট দিয়েও মাঝের ওভার গুলোতে চাপে পরে গিয়েছিলো বাংলাদেশ। শেষ ৩৬ বলে ৭ উইকেট হাতে রেখে নেদারল্যান্ডসের দরকার ছিল ৫৬ রান। তখন ডেথ ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানের মিতব্যয়ী বোলিং এবং ১৫তম ওভারে রিশাদ হোসেনের ব্রেকথ্রু বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরায়। ম্যাচ জেতায় বোলারদের কৃতিত্ব দিয়ে সাকিব বলেন,
‘বোলাররা দারুণ বোলিং করেছে, বিশেষ করে ফিজ ও রিশাদ। এই দুই বোলার নেদারল্যান্ডসের কাছ থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়েছে।'
সাকিব আরো বলেন, 'গত চার-পাঁচ বছরে যেখানে খুব কম আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছে, সেখানে বুঝতে পারিনি, ভালো সংগ্রহ কোনটা। সেজন্য আমরা আমাদের উইকেট হাতে রেখে খেলেছি। ১৪-১৫তম ওভারে কোথায় থাকতে পারি, সেটা দেখতে চেয়েছিলাম। তারপর বুঝলাম কতদূর আগাতে পারি। বিশ্বকাপ ম্যাচে প্রায় ১৬০ রান বেশ ভালো এবং প্রমাণিত। তারাও মোমেন্টাম পেয়েছিল, ১২তম ওভারে, যখন তাদের স্কোর তিন উইকেটে ৮০ বা ৯০ ছিল। এই উইকেটে এক ওভারে ১০ রান, বাতাস একদিকে, তাদের আটকে দেওয়া সহজ ছিল না আমাদের জন্য। সব বোলারদের কৃতিত্ব দিতে হয়, তারা স্নায়ু ধরে রেখে যেভাবে বল করেছে।’
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে এই জয়ে সুপার এইটে যাওয়ার পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ। ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন পয়েন্ট টেবিলের ২ এ।
