তাইজুলের ঘূর্ণিতে পাকিস্তান বধ, ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ
-
1
মুল্ডার ও রিকেলটনের সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়াকে ২৮৮ রানের লক্ষ্য দিল দক্ষিণ আফ্রিকা
-
2
বোলারদের ওপর ভরসা রেখে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৭০ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ
-
3
মিরপুরে ক্যাচ মিসের মহড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে বাংলাদেশের বড় হার
-
4
সিলেট টেস্টের দল ঘোষনা করল বাংলাদেশ
-
5
ফার্স্ট ইনিংসে আমরা অনেকটাই পিছনে চলে গেছি, মিরপুর টেস্টে হেরে আক্ষেপ শান্তর
তাইজুলের ঘূর্ণিতে পাকিস্তান বধ, ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ
তাইজুলের ঘূর্ণিতে পাকিস্তান বধ, ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ
একটা ক্যাচ, তারপরই বাঁধভাঙা উল্লাস। তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণিতে খুররম শাহজাদ যখন বড় শট খেলতে গিয়ে বাউন্ডারিতে তানজিদ হাসান তামিমের হাতে ধরা পড়লেন, তখনই নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বুধবার পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু সিরিজই জেতেনি বাংলাদেশ, লিখেছে নতুন এক টেস্ট ইতিহাসও।
দুই ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এর আগে ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতেও একই ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। এই জয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় উঠে এসেছে পাঁচ নম্বরে।
শেষ দিনের শুরুটা অবশ্য বাংলাদেশের জন্য মোটেও স্বস্তির ছিল না। বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হয় ১৫ মিনিট দেরিতে। এরপর মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান ধৈর্যের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন।
তবে পানি পানের বিরতির পর পাল্টে যায় ম্যাচের চিত্র। নতুন উদ্যমে মাঠে ফিরে দ্রুত আঘাত হানে বাংলাদেশ। ৭ উইকেটে ৩১৬ রান নিয়ে দিন শুরু করা পাকিস্তান আরও ৪২ রান যোগ করার পর ভাঙে অষ্টম উইকেটের জুটি।
এরপরই আসে সবচেয়ে বড় মুহূর্ত। শরিফুল ইসলামের বলে গালিতে মেহেদী হাসান মিরাজের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন সেঞ্চুরির পথে থাকা মোহাম্মদ রিজওয়ান। তার বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে কার্যত শেষ হয়ে যায় পাকিস্তানের প্রতিরোধ।
শেষদিকে আর কোনো সুযোগ দেয়নি বাংলাদেশ। তাইজুল নিজের স্পিন জাদুতে একে একে গুটিয়ে দেন সফরকারীদের লেজ। ৪৩৭ রানের অসম্ভব লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান থামে ৩৫৮ রানে। ম্যাচে ৬ উইকেট শিকার করে জয় নিশ্চিত করেন বাংলাদেশের এই স্পিনার।
