ম্যাকাই টেস্টে শরীফুলের বোলিং নৈপুণ্যে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা বাংলাদেশের
-
1
অস্ট্রেলিয়া বধের শেষ ধাপে বাংলাদেশ, কম্বিনেশন বদলের আভাস
-
2
ম্যাকাই টেস্টে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া অস্ট্রেলিয়া, কামিন্সের কণ্ঠে বাংলাদেশের প্রশংসা
-
3
পাকিস্তানের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ইনিংস ব্যবধানে বিধ্বংসী জয়
-
4
ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের জন্য শ্রীলঙ্কা দলে দুই নতুন মুখ, বাদ পড়লেন নিশান ও রমেশ
-
5
প্রথম দিনেই ১৮ উইকেটের পতন, ১০১ রানে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া
ম্যাকাই টেস্টে শরীফুলের বোলিং নৈপুণ্যে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা বাংলাদেশের
ম্যাকাই টেস্টে শরীফুলের বোলিং নৈপুণ্যে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা বাংলাদেশের
ব্যাটারদের চরম বিপর্যয়ে ম্যাকাই টেস্টের সূচনাতেই বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছিল সফরকারী বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানের দলীয় স্কোরে গোটা দল গুটিয়ে গেলেও ম্যাচ হাতছাড়া হতে দেননি সফরকারী বোলাররা। প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের ওপর একাই তোপ দাগেন বাঁহাতি স্পিডস্টার শরীফুল ইসলাম। তার বোলিং তাণ্ডবে প্রথম দিন শেষে ৮ উইকেটে ১৬৫ রান তুলতে পেরেছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। এতে করে ১০১ রানে এগিয়ে থেকে প্রথম দিনের খেলা সমাপ্ত করলেও লাল-সবুজদের শক্ত বোলিং লড়াইয়ে শেষ হয়নি।
ম্যাচের প্রথম দিন শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিজের দুর্দান্ত বোলিং পারফরম্যান্স নিয়ে মনের ভাবনা তুলে ধরেন শরীফুল ইসলাম। উল্লেখ্য, গত জুন মাসে দেশের মাটিতে ক্যাঙ্গারুদের হারিয়ে ঐতিহাসিক একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজ জিতেছিল টাইগাররা। সেই সিরিজের শেষ ম্যাচে এই বাঁহাতি পেসার ৬টি উইকেট শিকার করা সত্ত্বেও দল বিজয়ের মুখ দেখতে পারেনি।
অতীতে মিরপুরের সেই অর্জনের সঙ্গে আজকের ম্যাকাইয়ের অনবদ্য বোলিংয়ের তুলনামূলক মূল্যায়ন করতে গিয়ে ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে দলের জয়কেই পরম কাঙ্ক্ষিত হিসেবে অভিহিত করেন শরীফুল ইসলাম। ব্যক্তিগত কীর্তিতে আত্মহারা না হয়ে দলীয় অর্জনে চোখ রেখে সংবাদ সম্মেলনে শরীফুল বলেন,
‘অনুভূতি অবশ্যই ভালো। গতবার যেটা পেয়েছিলাম ওটাও ভালো লেগেছিল। সত্যি আরও ভালো লাগত যদি সেই ম্যাচটা জিততাম। আমি এখন চিন্তা করছি না যে ৫ উইকেট পেয়েছি বলে খুব খুশি। যদি ম্যাচ জিতি তবে অনেক খুশি হব।’
অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে কার্যকর বোলিং কৌশল রপ্ত করা এবং বিশ্বসেরা বোলারদের পর্যবেক্ষণ করার বিষয়টির প্রতি আলোকপাত করেন এই বাংলাদেশি স্পিডস্টার। স্বাগতিকদের মূল অস্ত্র মিচেল স্টার্ককে দেখেই যে তিনি ম্যাকাইয়ের উইকেটে সঠিক লেন্থ খুঁজে নিয়েছেন, তা অকপটে স্বীকার করেন। পেস সহায়ক কন্ডিশনে নিজের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে তিনি আরও বলেন,
‘অস্ট্রেলিয়ান কন্ডিশনে সব সময় ফাস্ট বোলাররা ভালো করে। স্টার্ক অনেক দিন ধরে খেলছেন এবং ভালো করছিলেন। আমি দেখছিলাম কোন লেংথে বল করলে বোলারদের জন্য সুবিধা পাওয়া যায়।’
প্রথম ইনিংসে ব্যাটারদের অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যর্থতা সত্ত্বেও দল হিসেবে ঘুরে দাঁড়ানোর আত্মবিশ্বাস এখনো বজায় রয়েছে পুরো ড্রেসিংরুমে। সতীর্থদের সঙ্গে আলোচনা এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটারদের দুর্দান্ত পুনর্বাসনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে দলের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে শরীফুল বলেন, ‘আমরা এখনও খেলার মধ্যে আছি। ইনশা আল্লাহ, আমরা চেষ্টা করবো দ্বিতীয় ইনিংসটি যাতে আমাদের পক্ষে থাকে। সবার সঙ্গে কথা হয়েছে, বিশেষ করে ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে।’
