বিশ্বকাপে ব্যর্থতার খেসারত, পাকিস্তান স্কোয়াডে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা
-
1
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় মুশফিকের অপেক্ষা, বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন বাস্তবতা
-
2
ইডেনে জয় ভারতের, বিতর্কে ১৯তম ওভার, হেইডেনের কড়া প্রশ্ন আম্পায়ারিং নিয়ে
-
3
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত জিম্বাবুয়ে দলের দেশে ফেরা স্থগিত
-
4
কলকাতায় রুদ্ধশ্বাস লড়াই, স্যামসনের ব্যাটে সেমিতে ভারত
-
5
সাহিবজাদা ফারহানকে ছাড়িয়ে ছক্কার চূড়ায় হেটমায়ার
বিশ্বকাপে ব্যর্থতার খেসারত, পাকিস্তান স্কোয়াডে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা
বিশ্বকাপে ব্যর্থতার খেসারত, পাকিস্তান স্কোয়াডে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের জেরে পুরো স্কোয়াডকে ৫০ লাখ পাকিস্তানি রুপি করে জরিমানা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। বাংলাদেশী টাকায় এটি প্রায় ২১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।
সুপার এইট পর্ব থেকে বিদায় নিয়ে সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয় পাকিস্তান। ফলে টানা চতুর্থবারের মতো আইসিসির কোনো ইভেন্টে শেষ চারে জায়গা করে নিতে পারেনি দলটি যা তাদের ইতিহাসে প্রথম।
ইএসপিএন ক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী, এই জরিমানা কোনো শৃঙ্খলাজনিত কারণে নয়। বোর্ডের দৃষ্টিতে মাঠের পারফরম্যান্স সন্তোষজনক না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে ৬১ রানের বড় ব্যবধানে হারের পরই খেলোয়াড়দের জরিমানার বিষয়টি জানানো হয়। তবে তখন এটাও বলা হয়েছিল, দল সেমিফাইনালে উঠতে পারলে জরিমানা মওকুফ করা হতে পারে।
পাকিস্তান প্রথম রাউন্ড পেরিয়ে দ্বিতীয় পর্বে উঠলেও সুপার এইটে এসে বিপাকে পড়ে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি পরিত্যক্ত হওয়ার পর ইংল্যান্ডের কাছে হারে তারা। পরে নিউজিল্যান্ড শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বড় জয় পাওয়ায় পাকিস্তানের সমীকরণ কঠিন হয়ে যায়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিতলেও ব্যবধান যথেষ্ট না হওয়ায় শেষ চারে ওঠা হয়নি।
অতীতে পিসিবি খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি ব্যবস্থা নিলেও সেগুলো সাধারণত শৃঙ্খলাজনিত ইস্যুতে ছিল। তবে এবারের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে পারফরম্যান্সভিত্তিক, যা পাকিস্তানের ক্রিকেটে বিরল এমনকি নজিরবিহীন বলেও মনে করা হচ্ছে। বোর্ডের ভেতরে বা দলের মধ্যে কোনো শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা ঘটেনি বলেই জানা গেছে।
এর আগে বড় টুর্নামেন্টে হতাশার পরও কঠোর অবস্থান নিয়েছিল পিসিবি। এশিয়া কাপ ফাইনালে ভারতের কাছে অল্প ব্যবধানে হারের পর খেলোয়াড়দের দেওয়া নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিল বোর্ড, যাতে তারা শীতকালীন টি–টোয়েন্টি লিগগুলোতে খেলতে না পারেন। যদিও পরে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়।
সব খেলোয়াড়ের ওপর জরিমানা আরোপ হলেও ব্যক্তিগতভাবে সফল ছিলেন কয়েকজন। সাহিবজাদা ফারহান এই আসরে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েন এবং একই টুর্নামেন্টে দুটি সেঞ্চুরি করা একমাত্র ব্যাটার হিসেবে নজির স্থাপন করেন।
