বিসিবির বিরুদ্ধে কোনো শাস্তি নয়, আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করবে বাংলাদেশ
৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম
প্রকাশ: 5 মাস আগে আপডেট: 1 ঘন্টা আগে-
1
বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে অস্ট্রলিয়ার দল ঘোষণা
-
2
অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে বাংলাদেশ শিবিরে ধাক্কা, বাদ ইবাদত, শঙ্কা রানা ও লিটনকে ঘিরে
-
3
আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে লিটন-মেহেদীকে জরিমানা, বেশি গুনতে হবে শেখ মেহেদীকে
-
4
২০২৭ সালে ইংল্যান্ড সফরে যাবে বাংলাদেশ পুরুষ ও নারী দল
-
5
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারাল ভারত
বিসিবির বিরুদ্ধে কোনো শাস্তি নয়, আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করবে বাংলাদেশ
বিসিবির বিরুদ্ধে কোনো শাস্তি নয়, আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করবে বাংলাদেশ
আইসিসি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ সংক্রান্ত বিষয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি), পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) একাধিক আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। আলোচনায় বিশ্বকাপ ছাড়াও দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেটের সামগ্রিক ভবিষ্যৎ নিয়ে মতবিনিময় হয়।
আইসিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুর্ভাগ্যজনক হলেও বিসিবি একটি পূর্ণ সদস্য হিসেবে আইসিসির গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং বৈশ্বিক ক্রিকেটে দেশের ভূমিকা অপরিহার্য। সংস্থাটি আশ্বস্ত করেছে, ২০ কোটির বেশি ক্রিকেটপ্রেমী নিয়ে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের ক্রিকেট বাজারে উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে পড়বে না।
আলোচনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলমান ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওপর কোনো আর্থিক, ক্রীড়াগত বা প্রশাসনিক শাস্তি আরোপ করা হবে না। একই সঙ্গে আইসিসির বিধিমালা অনুযায়ী বিসিবি চাইলে বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির (ডিআরসি) শরণাপন্ন হওয়ার অধিকারও বহাল থাকবে।
সমঝোতার অংশ হিসেবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ২০৩১ সালের আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের আগেই বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করবে। তবে আয়োজক হওয়ার বিষয়টি আইসিসির প্রচলিত নির্বাচন প্রক্রিয়া, সময়সূচি ও পরিচালনাগত শর্ত পূরণের ওপর নির্ভরশীল থাকবে।
আইসিসি, পিসিবি ও বিসিবি জানিয়েছে, ক্রিকেটের স্বার্থে ভবিষ্যতেও পারস্পরিক সহযোগিতা, সংলাপ ও গঠনমূলক সম্পৃক্ততা অব্যাহত থাকবে।
আইসিসির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্তা বলেন, “টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক হলেও এটি বাংলাদেশকে একটি মূল ক্রিকেট জাতি হিসেবে আইসিসির দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতিকে প্রভাবিত করে না। বাংলাদেশের ক্রিকেটের টেকসই উন্নয়নে আইসিসি কাজ করে যাবে।”
