স্মিথের অপরাজিত ১২৯ রানে অস্ট্রেলিয়ার দাপট, অ্যাশেজ ইতিহাসে নতুন মাইলফলক

৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম

প্রকাশ: 1 দিন আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
স্মিথের অপরাজিত ১২৯ রানে অস্ট্রেলিয়ার দাপট, অ্যাশেজ ইতিহাসে নতুন মাইলফলক

স্মিথের অপরাজিত ১২৯ রানে অস্ট্রেলিয়ার দাপট, অ্যাশেজ ইতিহাসে নতুন মাইলফলক

স্মিথের অপরাজিত ১২৯ রানে অস্ট্রেলিয়ার দাপট, অ্যাশেজ ইতিহাসে নতুন মাইলফলক

অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্টিভ স্মিথের দুর্দান্ত অপরাজিত শতকে ভর করে পঞ্চম ও শেষ অ্যাশেজ টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শক্ত অবস্থানে পৌঁছেছে স্বাগতিকরা। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচের তৃতীয় দিনের খেলা শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৫১৮ রান। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের ৩৮৪ রানের জবাবে অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে রয়েছে ১৩৪ রানে।

দিন শেষে স্মিথ ২০৫ বলে ১৫টি চার ও একটি ছক্কায় অপরাজিত ১২৯ রান করেন। তার সঙ্গে অপরাজিত রয়েছেন বো ওয়েবস্টার, যিনি ৫৮ বলে ৪টি চারে করেছেন ৪২ রান।

দিনের খেলা শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৩৭৭ রান। ক্যামেরন গ্রিন ও স্মিথ ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে ইনিংস এগিয়ে নেন। ৯৮তম ওভারে দলীয় ৪০০ রান পূর্ণ করে অস্ট্রেলিয়া। গ্রিন ও স্মিথের জুটিতে আসে ৫০ রান। তবে ১০৮তম ওভারে ব্রাইডন কার্সের বলে গ্রিন ৩৭ রান করে আউট হলে ভাঙে এই জুটি।

১১০তম ওভারে নিজের ৩৭তম টেস্ট শতক পূর্ণ করেন স্মিথ। এই ইনিংসের মাধ্যমে তিনি অ্যাশেজ ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকে পরিণত হয়েছেন। ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ব্যাটার জ্যাক হবসকে ছাড়িয়ে গেছেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক। অ্যাশেজে স্মিথের শতকের সংখ্যা এখন ১৩টি, যা হবসের ১২টিকে ছাড়িয়ে গেছে। এ তালিকায় তার সামনে কেবল স্যার ডন ব্র্যাডম্যান, যিনি অ্যাশেজে করেছেন ১৯টি শতক।

স্মিথ ও ওয়েবস্টারের ব্যাটিংয়ে শেষ সেশনজুড়ে চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। ১২১তম ওভারে দলীয় ৫০০ রান পূর্ণ করে অস্ট্রেলিয়া। দিন শেষে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ড ৯৭.৩ ওভারে ৩৮৪ রানে অলআউট হয়। জো রুটের দুর্দান্ত ১৬০ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে লড়াইয়ের পুঁজি পায় সফরকারীরা। হ্যারি ব্রুক করেন ৮৪ রান, আর উইকেটকিপার জেমি স্মিথ যোগ করেন ৪৬ রান।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন মাইকেল নেসার (৪/৬০)। এছাড়া মিচেল স্টার্ক ও স্কট বোল্যান্ড নেন দুটি করে উইকেট।

অস্ট্রেলিয়ার বড় লিড ও ক্রিজে সেট ব্যাটার থাকায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এখন পুরোপুরি স্বাগতিকদের হাতে।